ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস টেকনাফে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেপ্তার বরুড়ার কৃতী সন্তান মোরতাজুল করিম খন্দকার বাদরু হলেন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ৯টা–৫টার দায়িত্বে সমাজ বদলাবে না: ডিসি জাহিদ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির পথে চলার আহ্বান এসপি মিজানুর রহমান মুন্সির টেকনাফে ২৫ সিমসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার, এক মাসের কারাদণ্ড সিদ্ধিরগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নিহত পরিবহন শ্রমিক সোনারগাঁও থানা পুলিশ তৎপর বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার-২৪ মিথ্যাচারের শিকার প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সচেতন নাগরিক,র ক্ষোভ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

সাব্বির হাসান,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক ধর্মীয় উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার মাধবপুর উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা পাক দরবার শরীফের পীরজাদা আলহাজ সৈয়দ জুবায়ের কামাল পীর সাহেব ও পীরজাদা আলহাজ সৈয়দ শরিফুর রহমানের নেতৃত্বে জশনে জুলুস ও আলোচনা সভায় বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। এতে মাধবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে জশনে জুলুসে যোগ দেন আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জশনে জুলুসটি মাধবপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় দরুদ শরিফ পাঠ ও ইসলামী স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিভিন্ন সড়ক ও জনপদ। সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত এ জুলুসকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত ও শান্তির দূত। তাঁর জীবনাদর্শে রয়েছে ন্যায়বিচার, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা। সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।

বক্তারা আরও বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও চরিত্র সম্পর্কে জানার এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন গড়ার আহ্বান জানান তারা।

দিনব্যাপী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মাধবপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিপুলসংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুসের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

মাধবপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সাব্বির হাসান,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক ধর্মীয় উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে হবিগঞ্জের মাধবপুরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার মাধবপুর উপজেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়।

ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা পাক দরবার শরীফের পীরজাদা আলহাজ সৈয়দ জুবায়ের কামাল পীর সাহেব ও পীরজাদা আলহাজ সৈয়দ শরিফুর রহমানের নেতৃত্বে জশনে জুলুস ও আলোচনা সভায় বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। এতে মাধবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে জশনে জুলুসে যোগ দেন আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ, ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

জশনে জুলুসটি মাধবপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় দরুদ শরিফ পাঠ ও ইসলামী স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিভিন্ন সড়ক ও জনপদ। সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত এ জুলুসকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত ও শান্তির দূত। তাঁর জীবনাদর্শে রয়েছে ন্যায়বিচার, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও মানবতার শিক্ষা। সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করতে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।

বক্তারা আরও বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর শিক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও চরিত্র সম্পর্কে জানার এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন গড়ার আহ্বান জানান তারা।

দিনব্যাপী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মাধবপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিপুলসংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুসের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়।