ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে এলজিইডি ও ভূমি কার্যালয়ে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের ঘটনা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ শিক্ষার্থীদের নারকেল গাছ থেকে ডাব চুরি করতে গিয়ে কিশোরের তিন ঘণ্টার বিপত্তি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা টেকনাফে নিহত সেনাসদস্য তিতাস শেখের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে, পরিবারে শোকের ছায়া বিনামূল্যে ২ লাখ টাকার আইটি প্রশিক্ষণ, চাকরির সুযোগসহ আবেদন শুরু রাশিয়া ইরানকে ৯০টি আধুনিক মিসাইল লঞ্চার দিতে চায়, উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ সালে বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে নিহত ১০, আহত ১ হাজার ৫৪ যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন, স্পেসএক্স ও টেসলার বাজারমূল্য কমেছে ছাত্রদলের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষার্থীকে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্য ও এক পুলিশ সোর্সকে ধরে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে ঘটনার নিষ্পত্তি হয়।

আটক হওয়া তিনজন হলেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হানিফ, কনস্টেবল শ্যামল ও পুলিশ সোর্স জাহিদ। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সিফাত হোসেন সিয়াম ও অর্প।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, টিউশন শেষে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সিফাত ও অর্পের পথরোধ করেন তিন ব্যক্তি। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের তল্লাশি শুরু করেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে তাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে তাদের পরিচয় শনাক্ত হলে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস তাদের পুলিশ সদস্য হিসেবে নিশ্চিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, উভয় পক্ষের কিছু ভুল ছিল। পুলিশ সদস্যরা তাদের পরিচয় দিতে চাননি এবং শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেননি। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে এলজিইডি ও ভূমি কার্যালয়ে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের ঘটনা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনা

আপডেট সময় : ১১:২৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দুই শিক্ষার্থীকে ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্য ও এক পুলিশ সোর্সকে ধরে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে ঘটনার নিষ্পত্তি হয়।

আটক হওয়া তিনজন হলেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হানিফ, কনস্টেবল শ্যামল ও পুলিশ সোর্স জাহিদ। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সিফাত হোসেন সিয়াম ও অর্প।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, টিউশন শেষে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে সিফাত ও অর্পের পথরোধ করেন তিন ব্যক্তি। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের তল্লাশি শুরু করেন, কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে অস্বীকৃতি জানান।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এসে তাদের ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে তাদের পরিচয় শনাক্ত হলে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস তাদের পুলিশ সদস্য হিসেবে নিশ্চিত করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, উভয় পক্ষের কিছু ভুল ছিল। পুলিশ সদস্যরা তাদের পরিচয় দিতে চাননি এবং শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেননি। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে একটি যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশের গাফিলতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।