ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসএসসি পরীক্ষা পরিদর্শনকালে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি: ডিসি মোঃ রায়হান কবির ছয়দফা দাবিতে যশোরে  বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি কৃষক খেতমজুর সমিতির ৪৫ জন রোগীর মেরুদণ্ডের সফল অস্ত্রোপচার যশোর হাসপাতালে দেশের মানুষ ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে : প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথের কাজ দ্রুত শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী শামীম আরা স্বপ্না কে অভিনন্দন জানালেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী টেকনাফে অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত রেডিও উৎসবে ইউএনও মিয়ানমারে পাচারকালে ৮৫০ বস্তা সিমেন্টসহ চোরাকারবারি আটক ১১ যশোর শার্শায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রস্তুতি সভা উখিয়ার অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবু সিদ্দিক গ্রেফতার: র‍্যাব-১৫

চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটআদালত চত্বরে মামলার আসামিদের অপহরণের চেষ্টা, বাদী ধরা

চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটআদালত চত্বরে মামলার আসামিদের অপহরণের চেষ্টা, বাদী ধর

যশোরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে একটি মামলার আসামিদের হাজিরা দিতে আসার সময় অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে বহিরাগতদের নিয়ে মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর অভিযোগও রয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আদালত চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে বিচারককে বিষয়টি অবগত করেন। একপর্যায়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলার বাদী শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম মিন্টু গাজীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর নির্দেশ দেন। পরে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার পর মুচলেকা নিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ আদালতের দুই তলায় ৮-১০ জন বহিরাগত ব্যক্তি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন মিন্টু গাজী। এ সময় তারা “এরা স্বৈরাচারের দোসর ধরে ফেলো” বলে স্লোগান দিয়ে মব তৈরির চেষ্টা করেন। এতে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আসামিপক্ষের আইনজীবীসহ অন্যান্য আইনজীবীরা বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে বিচারক পুলিশকে বাদীকে কাঠগড়ায় আনার নির্দেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি শ্রমিক নেতা মিন্টু গাজী সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের ইয়াকুব ফকির, সিরাজুল ইসলাম, কাওসার আলী, জাহিদ শেখ, সবুজ হোসেন নিলয়, সাইফুল ইসলাম এবং একই উপজেলার ব্রাহ্মণগাতী গ্রামের আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ইয়াকুব ফকির পুলিশ প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মিন্টু গাজীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে ৪০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। বাকি ১০ লাখ টাকার জন্য আসামিরা মিন্টু গাজীর কাছ থেকে ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম (৩) বলেন, এই মামলায় ছয়জন আসামি আত্মসমর্পণ করতে বৃহস্পতিবার যশোরে আদালতে হাজির হন। বিষয়টি জানতে পেরে মিন্টু গাজী ও তার সহযোগীরা আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরে আমরা বিষয়টি বিচারককে জানাই। তিনি আরও জানান, শুনানি শেষে আদালত ছয় আসামির মধ্যে পাঁচজনকে জামিন দেন। অপর একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে শিশু আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষা পরিদর্শনকালে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি: ডিসি মোঃ রায়হান কবির

চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটআদালত চত্বরে মামলার আসামিদের অপহরণের চেষ্টা, বাদী ধরা

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটআদালত চত্বরে মামলার আসামিদের অপহরণের চেষ্টা, বাদী ধর

যশোরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে একটি মামলার আসামিদের হাজিরা দিতে আসার সময় অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মামলার বাদীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে বহিরাগতদের নিয়ে মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানোর অভিযোগও রয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আদালত চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনজীবীরা একত্রিত হয়ে বিচারককে বিষয়টি অবগত করেন। একপর্যায়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম মামলার বাদী শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম মিন্টু গাজীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর নির্দেশ দেন। পরে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার পর মুচলেকা নিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ আদালতের দুই তলায় ৮-১০ জন বহিরাগত ব্যক্তি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন মিন্টু গাজী। এ সময় তারা “এরা স্বৈরাচারের দোসর ধরে ফেলো” বলে স্লোগান দিয়ে মব তৈরির চেষ্টা করেন। এতে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আসামিপক্ষের আইনজীবীসহ অন্যান্য আইনজীবীরা বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে বিচারক পুলিশকে বাদীকে কাঠগড়ায় আনার নির্দেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি শ্রমিক নেতা মিন্টু গাজী সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের ইয়াকুব ফকির, সিরাজুল ইসলাম, কাওসার আলী, জাহিদ শেখ, সবুজ হোসেন নিলয়, সাইফুল ইসলাম এবং একই উপজেলার ব্রাহ্মণগাতী গ্রামের আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, আসামি ইয়াকুব ফকির পুলিশ প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মিন্টু গাজীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে ৪০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। বাকি ১০ লাখ টাকার জন্য আসামিরা মিন্টু গাজীর কাছ থেকে ফাঁকা স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন বলেও অভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম (৩) বলেন, এই মামলায় ছয়জন আসামি আত্মসমর্পণ করতে বৃহস্পতিবার যশোরে আদালতে হাজির হন। বিষয়টি জানতে পেরে মিন্টু গাজী ও তার সহযোগীরা আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরে আমরা বিষয়টি বিচারককে জানাই। তিনি আরও জানান, শুনানি শেষে আদালত ছয় আসামির মধ্যে পাঁচজনকে জামিন দেন। অপর একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে শিশু আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।