ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনজীবী সমিতির সদস্য রাজীবকে শোকজ

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য রাজীব হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। সমিতির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অমান্য করে বর্জন আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনার অভিযোগে এ শোকজ করা হয়েছে। শোকজ নোটিশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ গফুর সাক্ষরিত শোকজে বলা হয়-সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক রাশেদুর রহমানের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই থেকে এ আদালতে আইনী সহায়তা করছেন না আইনজীবীরা।

সমিতির সিদ্ধান্ত অমান্য করে গত ১০ মে অ্যাডভোকেট রাজীব হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করেন। আইনজীবী রাজীব হোসেনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এটি গঠনতন্ত্রের ৩য় অধ্যায়ের ১০ (ক) ও ১০ (খ) ধারার লঙ্ঘন। এ কর্মকাণ্ডকে সমিতির শৃঙ্খলাবিরোধী ও মর্যাদাহানিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কেন গঠনতন্ত্রের ৭০ (ক) ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইনজীবী সমিতির সদস্য রাজীবকে শোকজ

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য রাজীব হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। সমিতির সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অমান্য করে বর্জন আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনার অভিযোগে এ শোকজ করা হয়েছে। শোকজ নোটিশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ গফুর সাক্ষরিত শোকজে বলা হয়-সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক রাশেদুর রহমানের আদালত বর্জনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই থেকে এ আদালতে আইনী সহায়তা করছেন না আইনজীবীরা।

সমিতির সিদ্ধান্ত অমান্য করে গত ১০ মে অ্যাডভোকেট রাজীব হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করেন। আইনজীবী রাজীব হোসেনের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এটি গঠনতন্ত্রের ৩য় অধ্যায়ের ১০ (ক) ও ১০ (খ) ধারার লঙ্ঘন। এ কর্মকাণ্ডকে সমিতির শৃঙ্খলাবিরোধী ও মর্যাদাহানিকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কেন গঠনতন্ত্রের ৭০ (ক) ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।