ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ার কৃতী সন্তান মোরতাজুল করিম খন্দকার বাদরু হলেন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ৯টা–৫টার দায়িত্বে সমাজ বদলাবে না: ডিসি জাহিদ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জেলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির পথে চলার আহ্বান এসপি মিজানুর রহমান মুন্সির টেকনাফে ২৫ সিমসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার, এক মাসের কারাদণ্ড সিদ্ধিরগঞ্জে ছুরিকাঘাতে নিহত পরিবহন শ্রমিক সোনারগাঁও থানা পুলিশ তৎপর বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার-২৪ মিথ্যাচারের শিকার প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম সচেতন নাগরিক,র ক্ষোভ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

‎‘হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান তুলে ধরলেন বিএনপির নেতা রুহুল আমিন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

‎নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
‎নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের পারিবারিক ইতিহাস, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। ‘নারায়ণগঞ্জের হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’ শিরোনামে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।
‎‎স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বাবা ১৯৬৬ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশন-এর পূর্ব পাশে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে সেখানে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বাবা ১৯৬৯-৭০ সালে ঢাকা ভেজিটেবল অয়েল ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার ছিলেন।
‎‎তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মাথায় করে ইট এনে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎‎রুহুল আমিন আরও দাবি করেন, তিনি ২০০১ সাল থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন এবং তার স্ত্রী ২০২১ সাল থেকে করদাতা। পাশাপাশি তার স্ত্রী বাংলাদেশ ডাক বিভাগ-এর ঢাকা জিপিও-তে দুটি পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপিএস করেন, যার একটি ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং অন্যটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে।
‎‎রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে এবং ১৪ বার কারাবরণ করেছেন। তখন আমার দলীয় আইজীবিরা আমার কাজ থেকে সামান্য মাত্র টাকা নিয়ে জামিন বা কারামুক্তির সহায়তা করেন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
‎‎এছাড়া ১৯৯৭ সাল থেকে আইনজীবীদের ফি নিজেই পরিশোধ করেছেন বলেও দাবি করেন।
‎স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আরও দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের আগে এলাকার কোনো মুদি দোকান, সবজির দোকান, চায়ের দোকান বা মাছের বাজারে কখনো বাকিতে কেনাকাটা করেননি কিংবা কারও কাছ থেকে ১০০ টাকাও ধার নেননি।
‎‎একই সঙ্গে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, কিন্তু কানে হাত দেননি’—এই প্রবাদ উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
‎ফেসবুকে প্রকাশিত এই স্ট্যাটাসটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ার কৃতী সন্তান মোরতাজুল করিম খন্দকার বাদরু হলেন বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান

‎‘হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’—ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিজের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অবস্থান তুলে ধরলেন বিএনপির নেতা রুহুল আমিন

আপডেট সময় : ০৭:১৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

‎নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
‎নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের পারিবারিক ইতিহাস, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন। ‘নারায়ণগঞ্জের হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’ শিরোনামে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করেন।
‎‎স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বাবা ১৯৬৬ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশন-এর পূর্ব পাশে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরে সেখানে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার বাবা ১৯৬৯-৭০ সালে ঢাকা ভেজিটেবল অয়েল ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার ছিলেন।
‎‎তিনি বলেন, ১৯৮২ সালে ফতুল্লা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মাথায় করে ইট এনে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
‎‎রুহুল আমিন আরও দাবি করেন, তিনি ২০০১ সাল থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন এবং তার স্ত্রী ২০২১ সাল থেকে করদাতা। পাশাপাশি তার স্ত্রী বাংলাদেশ ডাক বিভাগ-এর ঢাকা জিপিও-তে দুটি পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপিএস করেন, যার একটি ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং অন্যটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে।
‎‎রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে এবং ১৪ বার কারাবরণ করেছেন। তখন আমার দলীয় আইজীবিরা আমার কাজ থেকে সামান্য মাত্র টাকা নিয়ে জামিন বা কারামুক্তির সহায়তা করেন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।
‎‎এছাড়া ১৯৯৭ সাল থেকে আইনজীবীদের ফি নিজেই পরিশোধ করেছেন বলেও দাবি করেন।
‎স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি আরও দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের আগে এলাকার কোনো মুদি দোকান, সবজির দোকান, চায়ের দোকান বা মাছের বাজারে কখনো বাকিতে কেনাকাটা করেননি কিংবা কারও কাছ থেকে ১০০ টাকাও ধার নেননি।
‎‎একই সঙ্গে ‘চিলে কান নিয়ে গেছে, কিন্তু কানে হাত দেননি’—এই প্রবাদ উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
‎ফেসবুকে প্রকাশিত এই স্ট্যাটাসটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।