ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের আকস্মিক পরিদর্শন উখিয়ায় নদীপথে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে ১১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে গণমিছিল এ যোগদানের আহ্বান মাসুমের যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলার পর রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ পেলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যশোরের শার্শা নাভারণে গাছ থেকে পড়ে লন্ড্রি ব্যবসায়ীর মৃত্যু যশোর যৌনপল্লীতে নারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি যশোরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান সোহেল এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মীর কাদিম পৌরসভা কমিটি

টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে দুই গ্রামের ১০ হাজার মানুষ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ রামপুর-কাচারিকান্দি গ্রামে ইয়াছিন মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সড়ক, বসতবাড়ি ও চলাচলের পথ পানিতে তলিয়ে গেছে। খাল দখল করে বাড়ি করে বসবাস করা ও কালভার্টের মুখে বাঁধ দেয়ায় এ‌ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। মহিষমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানি ভেঙে যাতায়াত করতে কষ্ট হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি যথাযথভাবে খনন ও দখলমুক্ত না করায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, খালটি দ্রুত পুনঃখনন, দখলমুক্ত ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই খালটি সংস্কার ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল কাদের জিলানী জানান, এই রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ, একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি হয়ে পড়ে। মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সরকারি খাল ভরাট করে বাড়ি করেছে কয়েকজন।

ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক গাজী নাজমুল বলেন, এই জনগুরুত্বপূর্ণ এ খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন

টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে দুই গ্রামের ১০ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০৮:০৩:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের দক্ষিণ রামপুর-কাচারিকান্দি গ্রামে ইয়াছিন মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সড়ক, বসতবাড়ি ও চলাচলের পথ পানিতে তলিয়ে গেছে। খাল দখল করে বাড়ি করে বসবাস করা ও কালভার্টের মুখে বাঁধ দেয়ায় এ‌ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। মহিষমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানি ভেঙে যাতায়াত করতে কষ্ট হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে পানি জমে থাকছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি যথাযথভাবে খনন ও দখলমুক্ত না করায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, খালটি দ্রুত পুনঃখনন, দখলমুক্ত ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই খালটি সংস্কার ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল কাদের জিলানী জানান, এই রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ, একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি হয়ে পড়ে। মানুষ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সরকারি খাল ভরাট করে বাড়ি করেছে কয়েকজন।

ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক গাজী নাজমুল বলেন, এই জনগুরুত্বপূর্ণ এ খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।