পটিয়া( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উত্তর খরনা কইশ্যা পাড়া হযরত বদর আউলিয়া রহমতুল্লাহ আলাইহি ইবতেদায়ী মাদ্রাসার মরহুমা আজিনুন নেসা একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার ১৪ আগষ্ট সকালে মাদ্রাসা মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিধ ও সমাজ সেবক অধ্যাপক ডক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এনামুল হোসেন। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জসীমের পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জমিদাতা সদস্য হাজী জয়নাল আবেদীন, নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ সফি সওদাগর, আবুল হোসেন,মোহাম্মদ হোসেন, আবুল বশর, আবুল মনসুর, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য ও মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটি কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন, সিরাজুল ইসলাম, আবুল বশর ভান্ডারী, ফজলুল হক, নুরুল আলম, আবদুর রহিম, আবুল মঞ্জুর, মাষ্টার বোরহান উদ্দিন সোহেল, শহীদুল আলম, জাহেদুল হক, মুহাম্মদ মোজাম্মেল, শফিকুল হাসান সবুজ, আবদুল করিম, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, তৌহিদুল আলম, মোহাম্মদ হাসান, মাদ্রাসা সুপার মাওলানা সেকান্দর আলী। সভার শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জনাব মাওলানা ইমরান হোসেন।
সভায় বক্তারা বলেন,বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পালন করছে, এটি শুধু ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করে না, বরং নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সময়ে যখন সমাজে নৈতিক অবক্ষয়, দুর্নীতি, পারিবারিক অস্থিরতা ও সামাজিক সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন মাদ্রাসা শিক্ষা
আলোকবর্তিকার মতো পথ দেখাচ্ছে। পটিয়া উওর খরনা কইশ্যা পাড়া হযরত বদর আউলিয়া রহমতুল্লাহ আলাইহি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এলাকায় আধুনিক দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।
সভায় মাদ্রাসা নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজে সকলের সহযোগিতায় করে বলেন,দীর্ঘদিন যাবত কইশ্যা পাড়া বদর আউলিয়া রহমতুল্লাহ আলাইহির মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম অস্হায়ী ক্যাম্পাসে পরিচালনা করে আসলেও নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্হাপন করার ফলে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে নতুন আশার সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর মধ্যে।বর্তমান যুগের মাদ্রাসাগুলো আধুনিক ও বহুমুখী শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা দক্ষতা অর্জন করছে। ফলে তারা শুধু দ্বীনি জ্ঞানেই নয়, সাধারণ শিক্ষার ক্ষেত্রেও সফলতার স্বাক্ষর রাখছে। দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। অনেকে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা হিসেবে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখছেন।
প্রতিনিধির নাম 


















