ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ২০-২২ অক্টোবর টেকনাফ ক্যাম্প-২৭ থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক দুই ঘণ্টায় উদ্ধার টেকনাফে কাদার ভেতর ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ সদরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল ইউনিয়নে মশক নিধন অভিযান রাজবাড়ীতে রক্তদাতা ও সংবাদকর্মী রুনা খাতুনের বাবাকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান পরিকল্পিত নগর হবে জঙ্গল সলিমপুর: ডিসি জাহিদ নরসিংদীর পলাশে হাত,পা ও লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় শাহজাহান ৭৫ বছরের বৃদ্ধার মৃত দেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে ৩২ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা টেকনাফ নয়াপাড়ায় নিখোঁজ রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার

শ্বশুরের বিচারক হওয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সারজিস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের শ্বশুর। গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি যে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন এই তালিকার ১৭ নম্বরে রয়েছেন তিনি। এ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের নিচে কমেন্ট করেছেন সারজিস আলম। সেখানে তার শ্বশুর নিজ যোগ্যতায় এই পদে নিযুক্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সারজিস আলম লেখেন, আমি যতদূর জানি আমার নিকটাত্মীয় ১৯৯১-৯২ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি পরীক্ষার মার্কসে তিনি ১ম স্থান অধিকার করেন। এসএসসি এবং এইচএসসির রেজাল্টসহ প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে সেই সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় খ ইউনিটে ১৯তম স্থান অর্জন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। আইন বিভাগ থেকে LLB ও LLM শেষ করে ১৯৯৮ সালে তিনি বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

সার্জিস জানান, ২০০৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ উভয় বিভাগে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের পূর্ব থেকেই তিনি বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সারজিসের দাবি, তার শ্বশুরের শতাধিক জুনিয়র সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া তিনি নবগঠিত ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ কর্তৃক সব যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে যাবতীয় বাছায়ে উত্তীর্ণ হয়ে এই সম্মান অর্জন করেছেন।

সারজিস আক্ষেপ করে লেখেন, এখানে তার এই যোগ্যতা ও পরিশ্রমকে একপাশে রেখে আমার নাম টেনে নিয়ে আসা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ৯ জন আইনজীবী ও ৭ জন আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমানও। সম্পর্কে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের শ্বশুর।

বিচারপতি লুৎফর রহমান এর আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে ওই ২৫ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

শ্বশুরের বিচারক হওয়া নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সারজিস

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলমের শ্বশুর। গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি যে ২৫ জন অতিরিক্ত বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন এই তালিকার ১৭ নম্বরে রয়েছেন তিনি। এ নিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টের নিচে কমেন্ট করেছেন সারজিস আলম। সেখানে তার শ্বশুর নিজ যোগ্যতায় এই পদে নিযুক্ত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সারজিস আলম লেখেন, আমি যতদূর জানি আমার নিকটাত্মীয় ১৯৯১-৯২ সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি পরীক্ষার মার্কসে তিনি ১ম স্থান অধিকার করেন। এসএসসি এবং এইচএসসির রেজাল্টসহ প্রাপ্ত নাম্বারের ভিত্তিতে সেই সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় খ ইউনিটে ১৯তম স্থান অর্জন করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। আইন বিভাগ থেকে LLB ও LLM শেষ করে ১৯৯৮ সালে তিনি বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

সার্জিস জানান, ২০০৬ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। বর্তমানে তিনি সুপ্রিম কোর্টে হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ উভয় বিভাগে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের পূর্ব থেকেই তিনি বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সারজিসের দাবি, তার শ্বশুরের শতাধিক জুনিয়র সুপ্রিম কোর্ট ও নিম্ন আদালতে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া তিনি নবগঠিত ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপোয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ কর্তৃক সব যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে যাবতীয় বাছায়ে উত্তীর্ণ হয়ে এই সম্মান অর্জন করেছেন।

সারজিস আক্ষেপ করে লেখেন, এখানে তার এই যোগ্যতা ও পরিশ্রমকে একপাশে রেখে আমার নাম টেনে নিয়ে আসা সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাদের মধ্যে ৯ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ৯ জন আইনজীবী ও ৭ জন আইন কর্মকর্তা অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমানও। সম্পর্কে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের শ্বশুর।

বিচারপতি লুৎফর রহমান এর আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে ওই ২৫ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।