ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ২০-২২ অক্টোবর টেকনাফ ক্যাম্প-২৭ থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা যুবক দুই ঘণ্টায় উদ্ধার টেকনাফে কাদার ভেতর ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ সদরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল ইউনিয়নে মশক নিধন অভিযান রাজবাড়ীতে রক্তদাতা ও সংবাদকর্মী রুনা খাতুনের বাবাকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান পরিকল্পিত নগর হবে জঙ্গল সলিমপুর: ডিসি জাহিদ নরসিংদীর পলাশে হাত,পা ও লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় শাহজাহান ৭৫ বছরের বৃদ্ধার মৃত দেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে ৩২ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা টেকনাফ নয়াপাড়ায় নিখোঁজ রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করবেন সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়ই দলের পক্ষ থেকে প্রার্থীর নাম জানানো হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেন, ভোট আয়োজনে বিশেষ অধিবেশন নয়, বৈঠক ডাকবে নির্বাচন কমিশন।

চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট রাত। সরকারি দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাঁদের আসন ও বিভক্তি নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন।

নূরুল ইসলাম মণি বলেন, রাষ্ট্রপতি, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের ভোট দেওয়ার দৃশ্য গণমাধ্যমকে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুতের কার্যক্রমও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে।

তিনি বলেন, সংসদে মোট ৩৪৯ জন ভোটার রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটগ্রহণ শেষ হলে গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে কোনো ভোট বাকি থাকলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে এরপর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

চিফ হুইপ জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংসদ সচিবালয় তাঁদের প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ যেহেতু সংশোধন হয়নি, সুতরাং এটা কার্যকর থাকবে।’

নিজ দলের পছন্দের প্রার্থীর বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।

এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন বলেই বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল নির্বাচনটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দিতে চায়নি। সে কারণেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেন, জুলাই সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি ক্ষেত্রে ঐকমত্য রয়েছে এবং এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও রয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। যাতে দেশের মানুষ ভবিষ্যতে নির্বাচনমুখী হয় এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, এ ধরনের পরিষদ গঠনের প্রয়োজন নেই। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মতো বাংলাদেশেও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।

ভারতের সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধান গ্রহণের পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। প্রতিবারই সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে, নতুন করে সংবিধান রচনা বা সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করা হয়নি।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি দাঁড়ি, কমা ও সেমিকোলন যেভাবে আছে, সেভাবেই আমরা বাস্তবায়ন করবো। সবাই মিলে যে সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা আমাদের কমিটমেন্ট।

চিফ হুইপ জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী সংসদ অধিবেশনেই একটি নতুন বিল আনা হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সরকার করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ

আপডেট সময় : ০৪:০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করবেন সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবারের (১৩ আগস্ট) মধ্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়ই দলের পক্ষ থেকে প্রার্থীর নাম জানানো হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেন, ভোট আয়োজনে বিশেষ অধিবেশন নয়, বৈঠক ডাকবে নির্বাচন কমিশন।

চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট রাত। সরকারি দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাঁদের আসন ও বিভক্তি নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন।

নূরুল ইসলাম মণি বলেন, রাষ্ট্রপতি, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের ভোট দেওয়ার দৃশ্য গণমাধ্যমকে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুতের কার্যক্রমও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে।

তিনি বলেন, সংসদে মোট ৩৪৯ জন ভোটার রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটগ্রহণ শেষ হলে গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে কোনো ভোট বাকি থাকলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে এরপর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

চিফ হুইপ জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংসদ সচিবালয় তাঁদের প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ যেহেতু সংশোধন হয়নি, সুতরাং এটা কার্যকর থাকবে।’

নিজ দলের পছন্দের প্রার্থীর বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।

এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন বলেই বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল নির্বাচনটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দিতে চায়নি। সে কারণেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেন, জুলাই সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি ক্ষেত্রে ঐকমত্য রয়েছে এবং এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও রয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। যাতে দেশের মানুষ ভবিষ্যতে নির্বাচনমুখী হয় এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, এ ধরনের পরিষদ গঠনের প্রয়োজন নেই। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মতো বাংলাদেশেও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।

ভারতের সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধান গ্রহণের পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। প্রতিবারই সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে, নতুন করে সংবিধান রচনা বা সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করা হয়নি।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি দাঁড়ি, কমা ও সেমিকোলন যেভাবে আছে, সেভাবেই আমরা বাস্তবায়ন করবো। সবাই মিলে যে সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা আমাদের কমিটমেন্ট।

চিফ হুইপ জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী সংসদ অধিবেশনেই একটি নতুন বিল আনা হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সরকার করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।