ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গল্লামারীতে হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত সেতুর কাজ চলছে, উদ্বোধন কবে হবে জানালেন প্রকৌশলী নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন নরসিংদীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু লালকে গ্রেফতার করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ( ডিবি) বরুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ভেদাভেদ ভুলে জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান বরুড়ায় পুলিশের অভিযানে ২১ জন গ্রেপ্তার, সাবেক ছাত্রলীগ সম্পাদকসহ আদালতে ১১ জন দীপাবলি ও শ্যামা পূজায় আলোর সাজে খুলনা রুশ বিপ্লবের ১০৯তম বার্ষিকী ও বাসদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় সমাবেশ সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ৭ নভেম্বর ২০২৬ ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ, মাসভিত্তিক ছুটির সুযোগ চিকিৎসক পরিবারের সম্পর্ক দৃঢ় করার লক্ষ্যে কিডস ফেস্টিভ্যাল আয়োজন

গল্লামারীতে হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত সেতুর কাজ চলছে, উদ্বোধন কবে হবে জানালেন প্রকৌশলী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

খুলনা মহানগরীর গল্লামারী মোড়ে ময়ূর নদের ওপর নির্মাণাধীন দুটি স্টিল সেতুর একটি দৃশ্যমান হয়েছে তিন মাস আগে। তবে সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই ও দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব কাজের ধীরগতির কারণে নভেম্বরেও সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মূল সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই এবং দুই পাশের সংযোগ সড়কে বিটুমিনের কার্পেটিং করা হবে। অক্টোবরে কংক্রিটের ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ঢালাইয়ের পর ২৮ দিন কিউরিং বা পানি দিয়ে ঢেকে রাখার প্রক্রিয়া চলছে। এ কারণে মূল সেতুর কাজ নভেম্বরে শেষ হতে পারে। তবে দুই পাশের সংযোগ সড়কের কার্পেটিংসহ আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, গল্লামারী মোড়ে ময়ূর নদের ওপর পাশাপাশি দুটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। ৬৮ দশমিক ৭ মিটার লম্বা ও ২৩ মিটার প্রশস্ত সেতু দুটির মূল অবকাঠামো হবে স্টিলের। দেখতে অনেকটা রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে নির্মাণাধীন সেতু দুটি নদী থেকে ৪ মিটার উঁচু হবে।

সেতু নির্মাণের জন্য ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিংকে (এনডিই) কার্যাদেশ দেয় সড়ক বিভাগ। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিলের দুটি সেতু এবং সেগুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের ওঠানামার জন্য দুই পাশে প্রায় ৭৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর পুরোনো সেতুটি ভাঙার কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই বছরই নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মূল সেতুর অবকাঠামো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজও চলছে। বর্তমানে পাশের ২১ ফুট প্রশস্ত পুরোনো একটি সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করছে। এতে সেতুর দুই পাশে তীব্র যানজট হচ্ছে।

সড়ক বিভাগ খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক বলেন, একটি সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। তবে কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। এ জন্য আরও সময় লাগতে পারে। সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। ঢালাইয়ের পর ২৮ দিন কিউরিং চলছে। সংযোগ সড়কের কাজও প্রায় শেষ। মূল সেতুর কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে যত দ্রুত সম্ভব যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এটি খুলে দেওয়ার পরই দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গল্লামারীতে হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত সেতুর কাজ চলছে, উদ্বোধন কবে হবে জানালেন প্রকৌশলী

গল্লামারীতে হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত সেতুর কাজ চলছে, উদ্বোধন কবে হবে জানালেন প্রকৌশলী

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

খুলনা মহানগরীর গল্লামারী মোড়ে ময়ূর নদের ওপর নির্মাণাধীন দুটি স্টিল সেতুর একটি দৃশ্যমান হয়েছে তিন মাস আগে। তবে সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই ও দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব কাজের ধীরগতির কারণে নভেম্বরেও সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে।

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মূল সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই এবং দুই পাশের সংযোগ সড়কে বিটুমিনের কার্পেটিং করা হবে। অক্টোবরে কংক্রিটের ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ঢালাইয়ের পর ২৮ দিন কিউরিং বা পানি দিয়ে ঢেকে রাখার প্রক্রিয়া চলছে। এ কারণে মূল সেতুর কাজ নভেম্বরে শেষ হতে পারে। তবে দুই পাশের সংযোগ সড়কের কার্পেটিংসহ আরও কিছু কাজ বাকি রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, গল্লামারী মোড়ে ময়ূর নদের ওপর পাশাপাশি দুটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। ৬৮ দশমিক ৭ মিটার লম্বা ও ২৩ মিটার প্রশস্ত সেতু দুটির মূল অবকাঠামো হবে স্টিলের। দেখতে অনেকটা রাজধানীর হাতিরঝিলের আদলে নির্মাণাধীন সেতু দুটি নদী থেকে ৪ মিটার উঁচু হবে।

সেতু নির্মাণের জন্য ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিংকে (এনডিই) কার্যাদেশ দেয় সড়ক বিভাগ। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিলের দুটি সেতু এবং সেগুলোতে যানবাহন ও পথচারীদের ওঠানামার জন্য দুই পাশে প্রায় ৭৫০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর পুরোনো সেতুটি ভাঙার কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ওই বছরই নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মূল সেতুর অবকাঠামো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে। দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজও চলছে। বর্তমানে পাশের ২১ ফুট প্রশস্ত পুরোনো একটি সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করছে। এতে সেতুর দুই পাশে তীব্র যানজট হচ্ছে।

সড়ক বিভাগ খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানিমুল হক বলেন, একটি সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। তবে কিছু কারিগরি কাজ বাকি রয়েছে। এ জন্য আরও সময় লাগতে পারে। সেতুর ওপর কংক্রিটের ঢালাই দেওয়া হয়েছে। ঢালাইয়ের পর ২৮ দিন কিউরিং চলছে। সংযোগ সড়কের কাজও প্রায় শেষ। মূল সেতুর কারিগরি ত্রুটি সমাধান করে যত দ্রুত সম্ভব যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এটি খুলে দেওয়ার পরই দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু হবে।