নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, কৃষি বাজেট গত বছরের তুলনায় ১০.৩৫ শতাংশ বেড়েছে। আমাদের প্রণোদনা বা উন্নয়ন বাজেট আছে। বাজেটের ভেতরেও ভাগ আছে। সেখানে প্রণোদনা বাজেটে বেড়েছে ৫৯ শতাংশ। যা অনেক বেড়েছে। যারা বলে কৃষিতে বাজেট কমেছে, তারা হিসাব করেনি। এবারের কৃষিতে বাজেট অতীতের তুলনা বৃহত্তম বাজেট দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন চত্বরে ‘জাতীয় ফল মেলা ২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ফল মেলা হয়ে থাকে। ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিপ্লব ঘটিয়েছে। আমাদের যে-সকল ফল বিলুপ্তির পথে রয়েছে, সেগুলোকে এখানে উঠিয়ে আনা হয়েছে। বিদেশি যে-সকল ফল আমাদের দেশে উৎপাদন করা সম্ভব, যেগুলো আমরা আমদানি করতাম, সেগুলো এখানে উৎপাদন হচ্ছে। আমাদের আমদানি কমেছে। আশা করি, আগামী বছর আমাদেরকে আর আমদানি করতে হবে না।
বিদেশে ড্রাগন ফল রপ্তানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে আমরা ড্রাগন ফল আমদানি করতাম। এখন চিন্তা করছি, ড্রাগন ফল আমরা রপ্তানি করব। এটা কিন্তু একটা বাইরের ফল। আমরা ওয়েদারের কারণে রপ্তানি করার সাহস পাচ্ছি। বিদেশি ফলের বিকল্প হিসাব ও আমাদের সরকার কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আম, কাঠাল রপ্তানি শুরু করেছে। এ বছর কাঠাল রপ্তানি বেড়ে যাবে। আগামী দিনে ফল রপ্তানি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে চলে আসবে।
করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস স্লোগানকে সামনে রেখে তিনদিন ব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ উদ্বোধন করেছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।
এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আব্দুর রহিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধির নাম 





















