ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

কক্সবাজারে প্রবাসী ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ মোর্শেদ চাঁদ গ্রেপ্তার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান, স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজার পৌর এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় দুবাইপ্রবাসী ওমর ফারুককে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও ১ নম্বর আসামি নাহিদ মোর্শেদ চাঁদকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫।

গত ২১ আগস্ট বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার সদর থানার খুরুশকুল ইউনিয়নের মকবুল সওদাগর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের অভিযানে তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৫ জানায়, নিহত ওমর ফারুক কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকারপাড়ার বাসিন্দা ও দুবাইপ্রবাসী ছিলেন। একটি স্থানীয় চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চক্রটি তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাহিদ মোর্শেদ চাঁদ, তার সহযোগী ওয়াহিদ মোর্শেদ ছাহিদ, সৈয়দ আকবরসহ অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওমর ফারুকের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।

আহত ওমর ফারুককে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩ মে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়।

র‌্যাব-১৫ জানায়, আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাহিদ মোর্শেদ চাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে খুরুশকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার নথি পর্যালোচনায় নাহিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মারামারি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আগের মামলাও থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তার নাহিদ মোর্শেদ চাঁদকে উদ্ধার করা আলামতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-১৫।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

কক্সবাজারে প্রবাসী ওমর ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ মোর্শেদ চাঁদ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ফরহাদ রহমান, স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজার পৌর এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় দুবাইপ্রবাসী ওমর ফারুককে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও ১ নম্বর আসামি নাহিদ মোর্শেদ চাঁদকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৫।

গত ২১ আগস্ট বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার সদর থানার খুরুশকুল ইউনিয়নের মকবুল সওদাগর পাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের অভিযানে তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৫ জানায়, নিহত ওমর ফারুক কক্সবাজার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পেশকারপাড়ার বাসিন্দা ও দুবাইপ্রবাসী ছিলেন। একটি স্থানীয় চাঁদাবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চক্রটি তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাহিদ মোর্শেদ চাঁদ, তার সহযোগী ওয়াহিদ মোর্শেদ ছাহিদ, সৈয়দ আকবরসহ অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওমর ফারুকের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে ছাদ থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।

আহত ওমর ফারুককে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩ মে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়।

র‌্যাব-১৫ জানায়, আসামিদের গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাহিদ মোর্শেদ চাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে খুরুশকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার নথি পর্যালোচনায় নাহিদের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মারামারি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আগের মামলাও থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তার নাহিদ মোর্শেদ চাঁদকে উদ্ধার করা আলামতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব-১৫।