ঢাকা ০১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান, স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন লেদা বিওপির সদস্যরা লেদা খাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে মাদক ও অস্ত্রের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের খবর পেয়ে লেদা খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিবির একটি দল কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নজরদারি শুরু করে।

পরে আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকায় তিনজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবির টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা সঙ্গে থাকা ইয়াবার চালান ফেলে নৌকাযোগে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

এরপর নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বাগান ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত ছোট মাছের ঝুড়ির ভেতর থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

নাফ নদীতে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ফরহাদ রহমান, স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন লেদা বিওপির সদস্যরা লেদা খাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।

বিজিবি জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে মাদক ও অস্ত্রের একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশের খবর পেয়ে লেদা খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিবির একটি দল কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নজরদারি শুরু করে।

পরে আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে একটি কাঠের নৌকায় তিনজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবির টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা সঙ্গে থাকা ইয়াবার চালান ফেলে নৌকাযোগে দ্রুত মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

এরপর নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বাগান ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত ছোট মাছের ঝুড়ির ভেতর থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য মালামালের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।