ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি নজরুলের জামিন মেলেনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি আলোচনার মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি ফেরানোর আহ্বান শফিকুর রহমানের সোবহানার রেকর্ড সেঞ্চুরির দিন অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজ হার বাংলাদেশের হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহ বন্ধ করায় ৫ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি হচ্ছে : নৌপরিবহনমন্ত্রী বাল্যবিবাহ ও বৈষম্য রোধে কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা যুবক হত্যা: প্রধান আসামি স্ত্রী গ্রেপ্তার যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে আর্থিক অনুদান দিল উপজেলা বিএনপির

যুক্তরাষ্ট্রে আসবাবপত্র আমদানিতে তদন্ত শুরু, শুল্ক বাড়ানোর হুমকি ট্রাম্পের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ফার্নিচার আমদানির ওপর তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। সতর্ক করেছেন যে এর পর এ খাতে নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এখবর জানায়।

ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আসা ফার্নিচারের ওপর বড় ধরনের শুল্ক তদন্ত করছি। আগামী ৫০ দিনের মধ্যে এই তদন্ত শেষ হবে। তবে শুল্কের হার এখনো নির্ধারিত হয়নি।

ট্রাম্প দাবি করেন, এ উদ্যোগের লক্ষ্য ফার্নিচার শিল্পকে উত্তর ক্যারোলিনা, দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও মিশিগানসহ মার্কিন অঙ্গরাজ্যে ফিরিয়ে আনা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জুলাই পর্যন্ত ফার্নিচার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন খাতে ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ কর্মরত ছিলেন, যা ২০০০ সালের তুলনায় অর্ধেকের সমান।

চীন ও ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার আমদানির প্রধান উৎস। ‘ফার্নিচার টুডে’ নামের বাণিজ্য সাময়িকীর তথ্য অনুসারে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ২৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ফার্নিচার আমদানি করেছে।

এই পদক্ষেপ ট্রাম্পের চলতি বছরের আরও কয়েকটি শুল্কনীতির ধারাবাহিকতা, যার মধ্যে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও অন্যান্য পণ্যের আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলে কিনা তা যাচাই করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে ওষুধ, চিপ, কৌশলগত খনিজ ও বিভিন্ন পণ্যশ্রেণির আমদানির ওপর তদন্ত শুরু করেছে। সাধারণত এসব তদন্ত শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগে এবং এর ভিত্তিতেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়।

যদিও ভিয়েতনাম ও চীনের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক দেশভিত্তিক শুল্কের আঘাত পাচ্ছে এবং সেসব শুল্কের কিছু আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে খাতভিত্তিক শুল্ক সাধারণত বেশি আইনি ভিত্তিসম্পন্ন বলে বিবেচিত হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক আমদানিকারক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়িয়েছে। আপাতত ভোক্তা পর্যায়ে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিতে এর প্রভাব সীমিত থাকলেও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে এসব প্রভাব পড়তে সময় লাগবে।

সূত্র : এএফপি।

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি নজরুলের জামিন মেলেনি

যুক্তরাষ্ট্রে আসবাবপত্র আমদানিতে তদন্ত শুরু, শুল্ক বাড়ানোর হুমকি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ফার্নিচার আমদানির ওপর তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। সতর্ক করেছেন যে এর পর এ খাতে নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এখবর জানায়।

ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আসা ফার্নিচারের ওপর বড় ধরনের শুল্ক তদন্ত করছি। আগামী ৫০ দিনের মধ্যে এই তদন্ত শেষ হবে। তবে শুল্কের হার এখনো নির্ধারিত হয়নি।

ট্রাম্প দাবি করেন, এ উদ্যোগের লক্ষ্য ফার্নিচার শিল্পকে উত্তর ক্যারোলিনা, দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও মিশিগানসহ মার্কিন অঙ্গরাজ্যে ফিরিয়ে আনা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে জুলাই পর্যন্ত ফার্নিচার ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন খাতে ৩ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ কর্মরত ছিলেন, যা ২০০০ সালের তুলনায় অর্ধেকের সমান।

চীন ও ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের ফার্নিচার আমদানির প্রধান উৎস। ‘ফার্নিচার টুডে’ নামের বাণিজ্য সাময়িকীর তথ্য অনুসারে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ২৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ফার্নিচার আমদানি করেছে।

এই পদক্ষেপ ট্রাম্পের চলতি বছরের আরও কয়েকটি শুল্কনীতির ধারাবাহিকতা, যার মধ্যে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও অন্যান্য পণ্যের আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলে কিনা তা যাচাই করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে ওষুধ, চিপ, কৌশলগত খনিজ ও বিভিন্ন পণ্যশ্রেণির আমদানির ওপর তদন্ত শুরু করেছে। সাধারণত এসব তদন্ত শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগে এবং এর ভিত্তিতেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হয়।

যদিও ভিয়েতনাম ও চীনের মতো দেশগুলো ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক দেশভিত্তিক শুল্কের আঘাত পাচ্ছে এবং সেসব শুল্কের কিছু আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে খাতভিত্তিক শুল্ক সাধারণত বেশি আইনি ভিত্তিসম্পন্ন বলে বিবেচিত হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক আমদানিকারক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়িয়েছে। আপাতত ভোক্তা পর্যায়ে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিতে এর প্রভাব সীমিত থাকলেও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিতে এসব প্রভাব পড়তে সময় লাগবে।

সূত্র : এএফপি।