ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে ৯ মামলার পলাতক আসামী সিরাজ মন্ডল গ্রেপ্তার নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর বক্তব্য শুনে শিক্ষার্থীরা শান্ত হলেন যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড় উলাশী খালপাড় এখন সাজসাজ রব, মানুষ অপেক্ষায় আছে তারেক রহমানের উখিয়ায় ৬ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক চকরিয়া থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্তসহ ১০ আসামি গ্রেফতার নাটোরের সিংড়ায় ত্রাণ গোডাউনের উদ্বোধন করলেন ডিসি সিদ্ধিরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া, অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামাগারের উদ্যোগ হ্নীলায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পল্লীতে এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সহায়তা পৌঁছে দিলেন সরওয়ার জাহান চৌধুরী বেনাপোলে নির্যাতনের পর হত্যা, মরদেহ ফেলে গেল ধানক্ষেতে

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটরসাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে ৯ মামলার পলাতক আসামী সিরাজ মন্ডল গ্রেপ্তার

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটরসাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।