ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২ বরুড়া বাজারে যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি নারায়ণগঞ্জ সদরে বিতর্ক উৎসবের ফাইনাল ২২ জুন, শিল্পকলা একাডেমিতে মুখোমুখি ৪ প্রতিষ্ঠান সাংবাদিক গ্রেপ্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করল নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি:, রেজানুর ইসলাম সহ সকলের মুক্তি দাবি পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের চটপটির ব্যবসার আড়ালে ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী যশোরে জাতীয় পার্টির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের গণপদত্যাগ আজ শনিবার যশোর সফরে আসছেন বিচারপতি মোঃ মুজিবুর রহমান মিয়া এতিম ও হেফজখানার শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানবতার বন্ধন পটিয়ার ফল উৎসব জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে জেলা প্রশাসন বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই সম্মাননা প্রদান

ফতুল্লায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ সুমা হত্যা: এক বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই – স্বামী গ্রেপ্তার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক:‎ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রায় এক বছর আগে সংঘটিত গৃহবধূ সুমা আক্তার (৩০) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতক স্বামী মো. শহীদুল্লাহ (৩৮) অবশেষে ধরা পড়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবআইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আসামির হলেন: মো. শহীদুল্লাহ ‎(৩৮)সে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার কাঠের পুল এলাকার মোঃ আনিসুর রহমানের ছেলে।

‎নিহত গৃহবধূ সুমা আক্তার (৩০)সে একই এলাকার মোঃ বসু মিয়ার মেয়ে ও মোঃ শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর দুপুরে ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবাসায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমা আক্তারকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতের বোন সাজেদা খাতুন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলা (নং-১৬, তাং-০৮/১১/২০২৩) দায়ের করেন। হত্যার উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হওয়ায় মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্তাধীন ছিল। পরে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলায় হস্তান্তর করা হয়।

‎পিবিআই সূত্রে জানা যায়, তদন্তে শহীদুল্লাহর সঙ্গে তার শ্যালিকা সোহানা আক্তারের (২৮) পরকীয়ার তথ্য উঠে আসে। এই সম্পর্কের জেরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদুল্লাহ পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে হত্যা করেন।

‎ঘটনার দিন তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর শরীরে একাধিক আঘাত করেন, যার ফলে গুরুতর জখমে তার মৃত্যু হয়। গ্রেফতারের পর শহীদুল্লাহ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তিনি স্বীকার করেছেন, পরকীয়ার টানেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

‎পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে মোট দু’জন জড়িত। তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণসহ যশোরে আটক ২

ফতুল্লায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ সুমা হত্যা: এক বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই – স্বামী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক:‎ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রায় এক বছর আগে সংঘটিত গৃহবধূ সুমা আক্তার (৩০) হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতক স্বামী মো. শহীদুল্লাহ (৩৮) অবশেষে ধরা পড়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবআইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আসামির হলেন: মো. শহীদুল্লাহ ‎(৩৮)সে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার কাঠের পুল এলাকার মোঃ আনিসুর রহমানের ছেলে।

‎নিহত গৃহবধূ সুমা আক্তার (৩০)সে একই এলাকার মোঃ বসু মিয়ার মেয়ে ও মোঃ শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর দুপুরে ফতুল্লার কাঠেরপুল কুতুবাসায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুমা আক্তারকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নিহতের বোন সাজেদা খাতুন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলা (নং-১৬, তাং-০৮/১১/২০২৩) দায়ের করেন। হত্যার উদ্দেশ্য স্পষ্ট না হওয়ায় মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্তাধীন ছিল। পরে ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মামলাটি পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলায় হস্তান্তর করা হয়।

‎পিবিআই সূত্রে জানা যায়, তদন্তে শহীদুল্লাহর সঙ্গে তার শ্যালিকা সোহানা আক্তারের (২৮) পরকীয়ার তথ্য উঠে আসে। এই সম্পর্কের জেরেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। ক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে শহীদুল্লাহ পরিকল্পিতভাবে স্ত্রীকে হত্যা করেন।

‎ঘটনার দিন তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর শরীরে একাধিক আঘাত করেন, যার ফলে গুরুতর জখমে তার মৃত্যু হয়। গ্রেফতারের পর শহীদুল্লাহ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তিনি স্বীকার করেছেন, পরকীয়ার টানেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

‎পিবিআই জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে মোট দু’জন জড়িত। তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।