ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আট,পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা টেকনাফে পৃথক অভিযানে রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড কমলগঞ্জের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ৫ দিন আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রেপ্তার ৩ – পলাতক ১ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ রাজবাড়ীতে বাড়ীর প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া হাটুপানি দিয়ে ৪টি পরিবারের চলাচল বেনাপোল কাস্টস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২

ফেসবুক-টেলিগ্রামের গুজব প্রচারে গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‎শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ‎তিনি বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ানো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘টেলিগ্রাম বা ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে তথ্য ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে। কিন্তু মূলধারার গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো কোনো সংবাদ দেওয়ার আগে তা প্রোপারলি ভেরিফাই করা।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, গতকাল একটি টেলিভিশন চ্যানেল সত্যতা যাচাই না করেই একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ‘ইনস্যান্ট কফি’র সাথে তুলনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে যাচাই ছাড়াই দ্রুত মন্তব্য ও প্রচারণা চালানো হয়, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বারবার বলছি যে, গুজবে কান দেবেন না। আমাদের সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ যাবত পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতিতে আমরা, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট।’

এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে মিডিয়ার (গণমাধ্যমের) ভাই-বোনদের সজাগ থাকতে হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের গুজবের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সরকার বিব্রত হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সেশন জট নিরসনে সরকার ডিসেম্বর মাসকে ‘পরীক্ষার মাস’ হিসেবে নির্দিষ্ট করতে চায়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হলো ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সব পরীক্ষা শেষ করা, যাতে জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু করা যায়। এনসিটিবিকে সেভাবেই কারিকুলাম ও সিলেবাস সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে

ফেসবুক-টেলিগ্রামের গুজব প্রচারে গণমাধ্যমকে সতর্ক থাকার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ‎শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ‎তিনি বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে (ইউজিসি) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়ানো সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘টেলিগ্রাম বা ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে তথ্য ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে। কিন্তু মূলধারার গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো কোনো সংবাদ দেওয়ার আগে তা প্রোপারলি ভেরিফাই করা।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, গতকাল একটি টেলিভিশন চ্যানেল সত্যতা যাচাই না করেই একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ‘ইনস্যান্ট কফি’র সাথে তুলনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে যাচাই ছাড়াই দ্রুত মন্তব্য ও প্রচারণা চালানো হয়, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।’

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বারবার বলছি যে, গুজবে কান দেবেন না। আমাদের সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ যাবত পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতিতে আমরা, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট।’

এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে মিডিয়ার (গণমাধ্যমের) ভাই-বোনদের সজাগ থাকতে হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের গুজবের পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সরকার বিব্রত হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সেশন জট নিরসনে সরকার ডিসেম্বর মাসকে ‘পরীক্ষার মাস’ হিসেবে নির্দিষ্ট করতে চায়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা হলো ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সব পরীক্ষা শেষ করা, যাতে জানুয়ারি থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু করা যায়। এনসিটিবিকে সেভাবেই কারিকুলাম ও সিলেবাস সমন্বয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’