ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর খেদমত করলেই মাদরাসার খরচে উমরাহ, প্রতিশ্রুতি পূরণে গেলেন পাঁচ উস্তাদ নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে মসজিদ উদ্বোধন করেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চার চা বাগান, মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ যশোর অভয়নগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারী আটক যশোরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে

জেল থেকে মুক্তির পর টেকনাফে আবারও মানবপাচার ও অপহরণের অভিযোগ, এলাকায় আতঙ্ক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১১৩ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজা
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালী জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল আলীকে ঘিরে আবারও মানবপাচার, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কারাভোগ শেষে কয়েক মাস আগে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পুনরায় সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে মানবপাচার ও অপহরণে সক্রিয় হয়েছেন। তবে এ নতুন অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি অস্ত্রের মুখে সাধারণ মানুষকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে জিম্মি রাখে এবং স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে। এতে বাহারছড়াসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “গত ২৮ জুন আমি ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যেতে দেখি। বিষয়টি দেখে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা অস্ত্র উঁচিয়ে আমাদের দিকে তেড়ে আসে। প্রাণভয়ে আমরা সরে যাই।”এর আগে মানবপাচার ও অপহরণসংক্রান্ত মামলায় আব্দুল আলী গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে আমাদের কাছেও কিছু তথ্য এসেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এলাকাবাসীর দাবি, মানবপাচার ও অপহরণের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জেল থেকে মুক্তির পর টেকনাফে আবারও মানবপাচার ও অপহরণের অভিযোগ, এলাকায় আতঙ্ক

আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজা
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালী জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা আব্দুল আলীকে ঘিরে আবারও মানবপাচার, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কারাভোগ শেষে কয়েক মাস আগে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পুনরায় সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে মানবপাচার ও অপহরণে সক্রিয় হয়েছেন। তবে এ নতুন অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।স্থানীয়দের অভিযোগ, চক্রটি অস্ত্রের মুখে সাধারণ মানুষকে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে গিয়ে জিম্মি রাখে এবং স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে। এতে বাহারছড়াসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “গত ২৮ জুন আমি ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যেতে দেখি। বিষয়টি দেখে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা অস্ত্র উঁচিয়ে আমাদের দিকে তেড়ে আসে। প্রাণভয়ে আমরা সরে যাই।”এর আগে মানবপাচার ও অপহরণসংক্রান্ত মামলায় আব্দুল আলী গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সে সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে আমাদের কাছেও কিছু তথ্য এসেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এলাকাবাসীর দাবি, মানবপাচার ও অপহরণের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।