ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জে বিচারকের বিরুদ্ধে শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর আদালতকক্ষে হামলার অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে আদালতকক্ষে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিচারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবিহা সুলতানা গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং সিনিয়র আইনজীবী জুলকদরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে একটি মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপস্থিত হলে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা কাগজের পেপারওয়েট নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, নিক্ষেপ করা পেপারওয়েটটি সাবিহা সুলতানার কপালে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও একই বিচারক অ্যাডভোকেট দিলীপ বিশ্বাসের মোহরী আমিনুর ফকিরকে আঘাত করেন। ওই ঘটনায় আমিনুর ফকিরের কোমরের ডান পাশে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন আইনজীবী। তাদের দাবি, আদালতে এর আগেও এ ধরনের একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

গোপালগঞ্জে বিচারকের বিরুদ্ধে শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর আদালতকক্ষে হামলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জে আদালতকক্ষে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিচারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবিহা সুলতানা গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং সিনিয়র আইনজীবী জুলকদরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে একটি মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপস্থিত হলে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা কাগজের পেপারওয়েট নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, নিক্ষেপ করা পেপারওয়েটটি সাবিহা সুলতানার কপালে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও একই বিচারক অ্যাডভোকেট দিলীপ বিশ্বাসের মোহরী আমিনুর ফকিরকে আঘাত করেন। ওই ঘটনায় আমিনুর ফকিরের কোমরের ডান পাশে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন আইনজীবী। তাদের দাবি, আদালতে এর আগেও এ ধরনের একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।