ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

বন্দরে প্রবাসীর নির্মাণাধীন বাড়িতে চুরি, পানির মোটর ও নির্মাণসামগ্রী লুট

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ কদম রসুল হাউজিং (অলিম্পিয়া) এলাকায় প্রবাসী মো. মনোয়ার হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় চোরেরা বাড়িতে ঢুকে পানির মোটর, বৈদ্যুতিক তার, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিনসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িটির দ্বিতীয় তলার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। শুক্রবার রাতে বাড়ির মালিক প্রবাসী মো. মনোয়ার হোসেন বাড়িতে ছিলেন না। এ সুযোগে চোরেরা নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তলার একটি জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে চুরি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চোরেরা বাড়ি থেকে একটি পানির মোটর, প্রায় ৮ থেকে ১০ কয়েল বৈদ্যুতিক তার, টাইলস মিস্ত্রির ব্যবহৃত ৩ থেকে ৪টি মেশিন, কাটিং ও গ্রাইন্ডার মেশিনসহ আরও বেশ কিছু মূল্যবান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে যায়।

শনিবার সকালে নির্মাণকাজের মিস্ত্রিরা বাড়িতে এসে মালামাল চুরি যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান। পরে বাড়িটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা সিয়ামকে বিষয়টি জানানো হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নবীগঞ্জ কদম রসুল হাউজিং এলাকায় এ ধরনের চুরির ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এতে নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে চুরির ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় চুরি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও টহল জোরদারেরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

বন্দরে প্রবাসীর নির্মাণাধীন বাড়িতে চুরি, পানির মোটর ও নির্মাণসামগ্রী লুট

আপডেট সময় : ০৪:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ কদম রসুল হাউজিং (অলিম্পিয়া) এলাকায় প্রবাসী মো. মনোয়ার হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় চোরেরা বাড়িতে ঢুকে পানির মোটর, বৈদ্যুতিক তার, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিনসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িটির দ্বিতীয় তলার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। শুক্রবার রাতে বাড়ির মালিক প্রবাসী মো. মনোয়ার হোসেন বাড়িতে ছিলেন না। এ সুযোগে চোরেরা নির্মাণাধীন দ্বিতীয় তলার একটি জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে চুরি করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চোরেরা বাড়ি থেকে একটি পানির মোটর, প্রায় ৮ থেকে ১০ কয়েল বৈদ্যুতিক তার, টাইলস মিস্ত্রির ব্যবহৃত ৩ থেকে ৪টি মেশিন, কাটিং ও গ্রাইন্ডার মেশিনসহ আরও বেশ কিছু মূল্যবান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিয়ে যায়।

শনিবার সকালে নির্মাণকাজের মিস্ত্রিরা বাড়িতে এসে মালামাল চুরি যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান। পরে বাড়িটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা সিয়ামকে বিষয়টি জানানো হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নবীগঞ্জ কদম রসুল হাউজিং এলাকায় এ ধরনের চুরির ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এতে নির্মাণাধীন বাড়ির মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে চুরির ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় চুরি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি ও টহল জোরদারেরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।