ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি নজরুলের জামিন মেলেনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি আলোচনার মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি ফেরানোর আহ্বান শফিকুর রহমানের সোবহানার রেকর্ড সেঞ্চুরির দিন অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজ হার বাংলাদেশের হোয়াইট হাউসের সংবাদ সংগ্রহ বন্ধ করায় ৫ টিভি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তদন্ত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় বন্দর কৌশল তৈরি হচ্ছে : নৌপরিবহনমন্ত্রী বাল্যবিবাহ ও বৈষম্য রোধে কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা যুবক হত্যা: প্রধান আসামি স্ত্রী গ্রেপ্তার যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে আর্থিক অনুদান দিল উপজেলা বিএনপির

টেকনাফে দেশীয় মদসহ ১২ রোহিঙ্গা আটক, প্রত্যেকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অস্থায়ী চেকপোস্টে তল্লাশির সময় এক লিটার দেশীয় মদসহ ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও হোয়াইক্যং আর্মি ক্যাম্পের সেনাসদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি কালো রঙের হাইয়েস গাড়ি থেকে ২০০ মিলিলিটারের পাঁচটি বোতলে মোট এক লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গাড়িতে থাকা ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

পরে উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের এসআই (নিরস্ত্র) শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে আটক ব্যক্তিদের টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অনীক চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এপিবিএনের প্রহরায় টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে ইনসিডেন্ট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা : এমপি নজরুলের জামিন মেলেনি

টেকনাফে দেশীয় মদসহ ১২ রোহিঙ্গা আটক, প্রত্যেকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অস্থায়ী চেকপোস্টে তল্লাশির সময় এক লিটার দেশীয় মদসহ ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়িসংলগ্ন কক্সবাজার–টেকনাফ মহাসড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও হোয়াইক্যং আর্মি ক্যাম্পের সেনাসদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালায়। এ সময় একটি কালো রঙের হাইয়েস গাড়ি থেকে ২০০ মিলিলিটারের পাঁচটি বোতলে মোট এক লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গাড়িতে থাকা ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

পরে উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের এসআই (নিরস্ত্র) শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে আটক ব্যক্তিদের টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম অনীক চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এপিবিএনের প্রহরায় টেকনাফ মডেল থানায় পাঠানো হয়।

আটক ব্যক্তিরা উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উনচিপ্রাং এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে ইনসিডেন্ট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।