ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান লালমনিরহাটে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্রীড়া উৎসব বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে, ইরান যুদ্ধের অনিশ্চয়তা অব্যাহত ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফিনএয়ারের দুটি ফ্লাইটে বোমা হামলার ভিত্তিহীন হুমকি ‎প্ল্যান্টের অনুমোদন নেই, তবু হেভি ক্রুড আমদানিতে বিপিসির দ্বারস্থ সুপার পেট্রোকেমিক্যাল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন তিন বিভাগ চালুর পরিকল্পনা এফবিসিসিআই ও ল্যাবএইডের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে: প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে জিএসপি+ সুবিধা হারানোর শঙ্কা পাকিস্তানে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নাভিদ কামার বলেছেন, মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি+) নিয়ে পাকিস্তান অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। মঙ্গলবার তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে আশ্বস্ত করেছে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নাভিদ কামার বলেন, ‘আমরা এমন কিছু সংকেত পাচ্ছি, যাতে বোঝা যাচ্ছে মানবাধিকার ইস্যুর কারণে জিএসপি+ মর্যাদা অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে।’ তিনি ইইউর নেতিবাচক সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে এমন নির্দিষ্ট উদ্বেগের বিষয়গুলো উল্লেখ করেননি।

জিএসপি+ সুবিধার মেয়াদ ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন প্রকল্পের আওতায় যোগ্যতা অর্জনের জন্য উপপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি আবেদন প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও রাজস্ববিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিলাল কায়ানি।

ইইউর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে পাকিস্তানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা, বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যবসায়ীদের জন্য একটি কর প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করা হয়। ৩৭ লাখ কর রিটার্ন দাখিল না করা ব্যবসায়ীর মধ্যে ১০ লাখকে প্রকল্পের আওতায় আনার প্রত্যাশা থাকলেও নতুন করে যুক্ত হয়েছেন মাত্র ২২২ জন। বিলাল কায়ানি জানান, ৩১ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পের সময় আর বাড়ানো হবে না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনের আহ্বান জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে জিএসপি+ সুবিধা হারানোর শঙ্কা পাকিস্তানে

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ নাভিদ কামার বলেছেন, মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি+) নিয়ে পাকিস্তান অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। মঙ্গলবার তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে সরকার এ বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নেই বলে আশ্বস্ত করেছে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নাভিদ কামার বলেন, ‘আমরা এমন কিছু সংকেত পাচ্ছি, যাতে বোঝা যাচ্ছে মানবাধিকার ইস্যুর কারণে জিএসপি+ মর্যাদা অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে।’ তিনি ইইউর নেতিবাচক সিদ্ধান্তের কারণ হতে পারে এমন নির্দিষ্ট উদ্বেগের বিষয়গুলো উল্লেখ করেননি।

জিএসপি+ সুবিধার মেয়াদ ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২০২৯ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন প্রকল্পের আওতায় যোগ্যতা অর্জনের জন্য উপপ্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি আবেদন প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও রাজস্ববিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিলাল কায়ানি।

ইইউর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে পাকিস্তানের মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা, বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যবসায়ীদের জন্য একটি কর প্রকল্প ব্যর্থ হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করা হয়। ৩৭ লাখ কর রিটার্ন দাখিল না করা ব্যবসায়ীর মধ্যে ১০ লাখকে প্রকল্পের আওতায় আনার প্রত্যাশা থাকলেও নতুন করে যুক্ত হয়েছেন মাত্র ২২২ জন। বিলাল কায়ানি জানান, ৩১ অক্টোবর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পের সময় আর বাড়ানো হবে না।