ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ট্রলারযোগে মানবপাচার কার্যক্রম চললেও এর সঙ্গে জড়িত কথিত গডফাদাররা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনা গেলে মানবপাচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালয়েশিয়াগামী মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হল— কচ্ছপিয়া এলাকার বাদশাহ মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন, সৈয়দ করিমের ছেলে আব্দুল জলিল, আব্দুল করিমের ছেলে রিয়াজ, শামসুল আলমের ছেলে রফিক, নবী হোসেনের ছেলে দেলোয়ার, শামসুল আলমের ছেলে রাসেল, ফরিদের ছেলে মুহিবুল্লাহ, আলী হোসেনের ছেলে শফিক, সৈয়দ করিমের ছেলে নাসির আহমদ, ইদ্রিসের ছেলে আহম্মদ করিম, এবং শীর্ষ দালাল হিসেবে পরিচিত জাফর ও জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে।
অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় রুট ব্যবহার করে লোকজনকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রলারডুবি কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে, তবুও থামছে না এই মানবপাচার।
স্থানীয়দের ভাষ্য, “প্রতি বছরই একই চক্র সক্রিয় থাকে। মাঝে মধ্যে অভিযান হলেও মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।”
এ বিষয়ে সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 



















