ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, যশোর  প্রতিনিধি : ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও কমে যায় প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিক টন।

এদিকে নতুন অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

এদিকে কাস্টমস সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা হলেও এ পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি। যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরন বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মনির হোসেন, যশোর  প্রতিনিধি : ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও কমে যায় প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিক টন।

এদিকে নতুন অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

এদিকে কাস্টমস সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা হলেও এ পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি। যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরন বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।