ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেলপাড়া-চিতাশাল সড়কের চলমান সংস্কার কাজ পরিদর্শনে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন ১৮ জনের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা; অসহায়দের আর্থিক সহায়তা, ২১ পরিবার পেল ত্রাণ মানবিক ডিসির গণশুনানিতে বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা উখিয়ায় রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, রহস্য উদঘাটনের দাবি ৮ এপিবিএনের সদর উপজেলার কুতুবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে তিন ফার্মেসিকে জরিমানা ও কঠোর নির্দেশনা গোপালগঞ্জে বিচারকের বিরুদ্ধে শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর আদালতকক্ষে হামলার অভিযোগ উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে সাপ্তাহিক গণশুনানীতে সেবাপ্রার্থীদের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা ডিসির দক্ষিণ জেলা জাপার সদস্য সচিব আবদুস সাত্তার রণির জানাজা সম্পুর্ন: বিভিন্ন মহলের শোক নিউজ টু নারায়ণগঞ্জ’-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে  ন্যায়বিচার ও জনস্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা জরুরি : বিচারপতি মোঃসিদ্দিকুর রহমান মিয়া

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, যশোর  প্রতিনিধি : ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও কমে যায় প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিক টন।

এদিকে নতুন অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

এদিকে কাস্টমস সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা হলেও এ পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি। যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরন বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেলপাড়া-চিতাশাল সড়কের চলমান সংস্কার কাজ পরিদর্শনে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন

বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ১০:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মনির হোসেন, যশোর  প্রতিনিধি : ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্য থেকে ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭০২ কোটি টাকা কম।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসকে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছর শেষে আদায় হয় মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। একই সময়ে বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের পরিমাণও কমে যায় প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার মেট্রিক টন।

এদিকে নতুন অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আশাবাদী। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, বৈধ আমদানি বাণিজ্যে আরও সুবিধা নিশ্চিত করা, পণ্য পাচার ও রাজস্ব ফাঁকি কার্যকরভাবে রোধ এবং বাণিজ্যের ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

এদিকে কাস্টমস সূত্রে আরো জানা গেছে, গত ছয় মাসে বেনাপোল কাস্টমসে ১৩০টি জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগে দায়ের হওয়া চারটি মামলায় কাস্টমস, বন্দর, নিরাপত্তা সংস্থা ও ব্যবসায়ীসহ ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা হলেও এ পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি। যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

বেনাপোল আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং পাচার ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন বলেন, রাজস্ব আহরন বাড়াতে কাস্টমস কর্মকর্তারা আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অনিয়মের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।