ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাস ভাড়া ক্ষেত্র বিশেষে কমও নেওয়া হচ্ছে: মহাখালী ঘুরে বললেন সড়কমন্ত্রী গাজীপুরে গাছা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন ওষুধে মশা মরছে না, অতিষ্ঠ যশোর পৌরবাসী ! যশোরে শংকরপুর পারিবারিক কলহে ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই জখম; অবস্থা আশঙ্কাজনক বরুড়ায় গাজী ওয়াহিদুল ইসলাম ফাউন্ডেশন কর্তৃক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ফতুল্লা স্টেডিয়ামে জাতীয়তাবাদী বাউল দলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল গজারিয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় শটগান ও ১১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার ‎সিদ্ধিরগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ,এক সপ্তাহে ১৪০ আসামি গ্রেপ্তার, বিপুল মাদক উদ্ধার

তিন বছরে তিন সরকার, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ঐতিহাসিক শপথকেন্দ্রিক হ্যাট্রিক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

মোরশেদুল আলম:বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি আলাদা সরকারের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন, যা স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিবেশ ও পরিবর্তনের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন নিজ হাতে শপথ বাক্য পাঠ করান। একই অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ পাঠ হয়েছে,

এর আগের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গত তিন বছরেই তিনটি ভিন্ন সরকারের উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন পরবর্তী সরকার এবং এখন চালু নির্বাচিত সরকার – প্রতিটি সরকারকে সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্বভার গ্রহণ করাতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সরকার গঠন ও প্রধানমন্ত্রীর শপথ পাঠ রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বের ধারাবাহিক ও শান্তিপূর্ণ প্রয়োগকে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ইভেন্ট হিসেবে দেখছেন। তারেক রহমান, দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন, এবং তার সরকারের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে; অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, ক্ষমতা বিভাজন ও নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দেশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাষ্ট্রপতির ভূমিকায় এই ধারাবাহিক শপথকেন্দ্রিক ভূমিকা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় মনোযোগের প্রতিফলন। তাদের মতে, এই হ্যাট্রিক রাষ্ট্রীয় কার্যকারিতাকে দৃঢ়ভাবে সামনে নিয়ে যাওয়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস ভাড়া ক্ষেত্র বিশেষে কমও নেওয়া হচ্ছে: মহাখালী ঘুরে বললেন সড়কমন্ত্রী

তিন বছরে তিন সরকার, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ঐতিহাসিক শপথকেন্দ্রিক হ্যাট্রিক

আপডেট সময় : ০২:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোরশেদুল আলম:বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন মাত্র তিন বছরের মধ্যে তিনটি আলাদা সরকারের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন, যা স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিবেশ ও পরিবর্তনের সময়কার গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন নিজ হাতে শপথ বাক্য পাঠ করান। একই অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর শপথ পাঠ হয়েছে,

এর আগের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন গত তিন বছরেই তিনটি ভিন্ন সরকারের উদ্বোধন করেছেন। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন পরবর্তী সরকার এবং এখন চালু নির্বাচিত সরকার – প্রতিটি সরকারকে সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্বভার গ্রহণ করাতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সরকার গঠন ও প্রধানমন্ত্রীর শপথ পাঠ রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক দায়িত্ব। এই দায়িত্বের ধারাবাহিক ও শান্তিপূর্ণ প্রয়োগকে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ইভেন্ট হিসেবে দেখছেন। তারেক রহমান, দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন, এবং তার সরকারের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে; অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, ক্ষমতা বিভাজন ও নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দেশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাষ্ট্রপতির ভূমিকায় এই ধারাবাহিক শপথকেন্দ্রিক ভূমিকা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় মনোযোগের প্রতিফলন। তাদের মতে, এই হ্যাট্রিক রাষ্ট্রীয় কার্যকারিতাকে দৃঢ়ভাবে সামনে নিয়ে যাওয়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।