মনির হোসেন, যশোর প্রতিনিধি : শিক্ষক-কর্মচারীদের দেয়া হয় ২ হাজার ৩৫ কোটি টাকা ৮৬ লাখ টাকা। একই পদ্ধতিতে যশোর জেলার ২ হাজার ৭৯১ শিক্ষক পেলেন ৮৭ কোটি ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে অবসর তহবিলে ৯৬৬ শিক্ষককে ৪৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ও কল্যাণ তহবিলের ১ হাজার ৮২৫ শিক্ষককে দেয়া হয়েছে ৪৩ কোটি ৬১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
শনিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সংযুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যশোর শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষক, কর্মচারীদের মাঝে অবসর ও কল্যাণ তহবিলের প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে চেক প্রদান করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন-শিক্ষক-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার ও বৈষম্যের স্বীকার হয়েছে। তাদের কাজের স্বীকৃতি পাননি। তাদের বৈষম্য ঘোচাতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বঞ্চনার দুর করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্যোগ বাস্তবায়নের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধার টাকা আইবিএএসের মাধ্যমে প্রদান করেন।
তিনি আরো বলেন-শিক্ষকদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে তাদের কাছে ভাল কিছু আশা করা যায় না। স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করতে পারলে তারা শিক্ষকতার পাশাপাশি তাদেরকে ভিন্ন আয়ের পথ বেছে নিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী এটি ভেবে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নিয়েছেন। পৃথিবীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছেলেমেয়েদের যোগ্য করে তুলতে হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে শিক্ষকদের ভুমিকা রাখতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, জেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজুল হোসেনসহ শিক্ষকবৃন্দ।
প্রতিনিধির নাম 


















