ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি উখিয়ায় র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের উপর হামলা ১ দিনে ১৩৫ টন বর্জ্য সরিয়ে রেকর্ড গড়লেন ডিসি জাহিদ ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন এসবিএসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত ১৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যশোরে দুই মাদক কারবারি আটক কুমিল্লার বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ইংলিশ ডিবেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম কে সাৃমনে রেখে একযোগে ৩৩০০-এর বেশি সরকারি ভবন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

চিরিরবন্দরে শ্বশান কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবক আটক।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় শ্বশানকালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে এক যুবককে আটক করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
গত সোমবার (২৭ জানুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নের দূর্গাডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন শ্বশানকুরী শ্বশানকালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত ব্যাক্তির নাম মো.মমতাজ হোসেন ওরফে মোস্তান। সে ভিয়াইল ইউনিয়নের বোর্ড পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত আইনুল পাশীর ছেলে।
সরজমিনে মন্দির কমিটি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে মো. মমতাজ হোসেন নামের ঐ ব্যাক্তি কালী মন্দিরের কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এসময় শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে হাতে নাতে আটক করে। মন্দিরের বাহিরে থাকা মাশনা কালীর প্রতিমা ভেঙ্গে সামনের পুকুরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা কালী মাতার প্রতিমাটি ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করার পর ইউপি চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে মো. মমতাজ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় সমর রায়কে ঘুষি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে ভিয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ এর নিকট হস্তান্তর করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত মমতাজ হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে আটক রয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার রায় বলেন, “আমরা এই এলাকায় হিন্দু,মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করি এরকম নেক্কার জনক ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি কামনা করি”।
ঘটনার বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ ওয়াদুদ বলেন, “ঘটনাটি আমি অবগত হয়েছি এবং তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি টিমসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রতিমা ভাংচুরকারী মমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে”।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি

চিরিরবন্দরে শ্বশান কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবক আটক।

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় শ্বশানকালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে এক যুবককে আটক করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
গত সোমবার (২৭ জানুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নের দূর্গাডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন শ্বশানকুরী শ্বশানকালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত ব্যাক্তির নাম মো.মমতাজ হোসেন ওরফে মোস্তান। সে ভিয়াইল ইউনিয়নের বোর্ড পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত আইনুল পাশীর ছেলে।
সরজমিনে মন্দির কমিটি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে মো. মমতাজ হোসেন নামের ঐ ব্যাক্তি কালী মন্দিরের কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এসময় শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে হাতে নাতে আটক করে। মন্দিরের বাহিরে থাকা মাশনা কালীর প্রতিমা ভেঙ্গে সামনের পুকুরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা কালী মাতার প্রতিমাটি ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করার পর ইউপি চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে মো. মমতাজ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় সমর রায়কে ঘুষি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে ভিয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ এর নিকট হস্তান্তর করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত মমতাজ হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে আটক রয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার রায় বলেন, “আমরা এই এলাকায় হিন্দু,মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করি এরকম নেক্কার জনক ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি কামনা করি”।
ঘটনার বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ ওয়াদুদ বলেন, “ঘটনাটি আমি অবগত হয়েছি এবং তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি টিমসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রতিমা ভাংচুরকারী মমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে”।