ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে সাধারণ মানুষ: ভাঙচুর ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের নাশকতার প্রতিবাদে মহানগর যুবদলের বিশাল মোটরসাইকেল মহড়া সিদ্ধিরগঞ্জে সুন্দর সিদ্ধিরগঞ্জ গঠন ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রেসক্লাব যশোর, নির্বাচনে টুকুন সভাপতি নূর ইসলাম সাধারণ সম্পাদক উখিয়ার সীমান্তে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার যশোরের শার্শায় ৩৫ বিঘার মাছের ঘের নিয়ে বিরোধ : প্রাণভয়ে বাড়িছাড়া ব্যবসায়ী যশোরের শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি চাষিরা কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী গোলাম মোস্তফা সিরাজী বেনাপোলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার যশোরের ৮ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন প্রস্তুতি ঘিরে ৫৪ ভোটকেন্দ্রে পরিবর্তন

চিরিরবন্দরে শ্বশান কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবক আটক।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় শ্বশানকালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে এক যুবককে আটক করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
গত সোমবার (২৭ জানুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নের দূর্গাডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন শ্বশানকুরী শ্বশানকালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত ব্যাক্তির নাম মো.মমতাজ হোসেন ওরফে মোস্তান। সে ভিয়াইল ইউনিয়নের বোর্ড পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত আইনুল পাশীর ছেলে।
সরজমিনে মন্দির কমিটি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে মো. মমতাজ হোসেন নামের ঐ ব্যাক্তি কালী মন্দিরের কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এসময় শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে হাতে নাতে আটক করে। মন্দিরের বাহিরে থাকা মাশনা কালীর প্রতিমা ভেঙ্গে সামনের পুকুরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা কালী মাতার প্রতিমাটি ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করার পর ইউপি চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে মো. মমতাজ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় সমর রায়কে ঘুষি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে ভিয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ এর নিকট হস্তান্তর করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত মমতাজ হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে আটক রয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার রায় বলেন, “আমরা এই এলাকায় হিন্দু,মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করি এরকম নেক্কার জনক ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি কামনা করি”।
ঘটনার বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ ওয়াদুদ বলেন, “ঘটনাটি আমি অবগত হয়েছি এবং তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি টিমসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রতিমা ভাংচুরকারী মমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে”।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে সাধারণ মানুষ: ভাঙচুর ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ

চিরিরবন্দরে শ্বশান কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবক আটক।

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় শ্বশানকালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় যুবকে আটক করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে এক যুবককে আটক করে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
গত সোমবার (২৭ জানুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ৯নং ভিয়াইল ইউনিয়নের দূর্গাডাঙ্গা বাজার সংলগ্ন শ্বশানকুরী শ্বশানকালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত ব্যাক্তির নাম মো.মমতাজ হোসেন ওরফে মোস্তান। সে ভিয়াইল ইউনিয়নের বোর্ড পাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মৃত আইনুল পাশীর ছেলে।
সরজমিনে মন্দির কমিটি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে মো. মমতাজ হোসেন নামের ঐ ব্যাক্তি কালী মন্দিরের কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এসময় শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে হাতে নাতে আটক করে। মন্দিরের বাহিরে থাকা মাশনা কালীর প্রতিমা ভেঙ্গে সামনের পুকুরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা কালী মাতার প্রতিমাটি ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে কেচি গেট ভাঙ্গার চেষ্টা করে। স্থানীয়রা তাকে আটক করার পর ইউপি চেয়ারম্যানকে ফোন দিলে মো. মমতাজ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় সমর রায়কে ঘুষি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া দিয়ে আটক করে ভিয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রাজ্জাক শাহ্ এর নিকট হস্তান্তর করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত মমতাজ হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে আটক রয়েছে।
ঘটনা সম্পর্কে মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার রায় বলেন, “আমরা এই এলাকায় হিন্দু,মুসলিম ভেদাভেদ ভুলে সবাই একসঙ্গে শান্তিতে বসবাস করি এরকম নেক্কার জনক ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত ব্যাক্তির শাস্তি কামনা করি”।
ঘটনার বিষয়ে চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ ওয়াদুদ বলেন, “ঘটনাটি আমি অবগত হয়েছি এবং তাৎক্ষণিক থানা পুলিশের একটি টিমসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রতিমা ভাংচুরকারী মমতাজ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ হবে”।