ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত আলীকদমে অবৈধ ইটভাটায় সাঁড়াশি অভিযান: ৩ ভাটায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা যশোরের টিটন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গুলিতে নিহত কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান শিশুদের ক্রীড়া বিকাশে আড়াইহাজারে গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার উজ্জলের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় খাল খননে স্বস্তি ফিরেছে ইসদাইরে, টানা বৃষ্টিতেও নেই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বালিয়াকান্দিতে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র জালে দুইজন আটক

মানব পাচারকারী চক্রের ৪ সদস্য আটক ৮ রোহিঙ্গা উদ্ধার

টেকনাফ সীমান্তে মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সাঁড়াশি অভিযানে চার পাচারকারী আটক হয়েছে। একই অভিযানে সমুদ্র পথে পাচারের অপেক্ষায় থাকা ৬ নারী ও ২ শিশুসহ মোট ৮ রোহিঙ্গাকে অক্ষত উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়ায় এ অভিযান পরিচালনা করে।বিজিবি জানায়, মানব পাচারকারী চক্রের গোপন তৎপরতার বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারি বাড়ানো হয়। উদ্ধারকৃতদের বয়ান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায়—মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মোতালেব ওরফে “কালা বদ্দা”-র বাড়িতে বিদেশ গমনেচ্ছুদের অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে গভীর রাতে অভিযান দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে।বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পাচারকারী পালিয়ে গেলেও চারজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার করা হয় আটজন ভুক্তভোগীকে, যাদের সবাই বিভিন্ন এফডিএমএন ক্যাম্পের কার্ডধারী।আটক ব্যক্তিরা ,আসমা (১৯), শাবনূর (২০), জহুরা (৪৩) এবং সাহারা খাতুন (৬২) ঠিকানা: সাবরাং ইউনিয়ন, পানছড়ি পাড়া, টেকনাফ, কক্সবাজার।পলাতক আব্দুল মোতালেব ওরফে “কালা বদ্দা” (৩০) ঠিকানা: একই এলাকা।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা জানায়, তাদের উচ্চ বেতনের চাকরি, কম খরচে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ ও দ্রুত আয়—এসব দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয়। আটক আসামিরা দাবি করে, পাহাড়ি পথ কঠোর নজরদারির কারণে চক্রটি এখন লোকালয়ের ভেতর দিয়ে নতুন রুটে পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছিল। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন,টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র—কোথাও মানব পাচারকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় নেই। মানববিরোধী এ ‌চক্রকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

মানব পাচারকারী চক্রের ৪ সদস্য আটক ৮ রোহিঙ্গা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:২৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

টেকনাফ সীমান্তে মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সাঁড়াশি অভিযানে চার পাচারকারী আটক হয়েছে। একই অভিযানে সমুদ্র পথে পাচারের অপেক্ষায় থাকা ৬ নারী ও ২ শিশুসহ মোট ৮ রোহিঙ্গাকে অক্ষত উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সাবরাং ইউনিয়নের পানছড়ি পাড়ায় এ অভিযান পরিচালনা করে।বিজিবি জানায়, মানব পাচারকারী চক্রের গোপন তৎপরতার বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারি বাড়ানো হয়। উদ্ধারকৃতদের বয়ান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায়—মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মোতালেব ওরফে “কালা বদ্দা”-র বাড়িতে বিদেশ গমনেচ্ছুদের অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে গভীর রাতে অভিযান দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে।বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পাচারকারী পালিয়ে গেলেও চারজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার করা হয় আটজন ভুক্তভোগীকে, যাদের সবাই বিভিন্ন এফডিএমএন ক্যাম্পের কার্ডধারী।আটক ব্যক্তিরা ,আসমা (১৯), শাবনূর (২০), জহুরা (৪৩) এবং সাহারা খাতুন (৬২) ঠিকানা: সাবরাং ইউনিয়ন, পানছড়ি পাড়া, টেকনাফ, কক্সবাজার।পলাতক আব্দুল মোতালেব ওরফে “কালা বদ্দা” (৩০) ঠিকানা: একই এলাকা।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গারা জানায়, তাদের উচ্চ বেতনের চাকরি, কম খরচে বিদেশ যাওয়ার সুযোগ ও দ্রুত আয়—এসব দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয়। আটক আসামিরা দাবি করে, পাহাড়ি পথ কঠোর নজরদারির কারণে চক্রটি এখন লোকালয়ের ভেতর দিয়ে নতুন রুটে পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছিল। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন,টেকনাফ সীমান্তের পাহাড় থেকে সমুদ্র—কোথাও মানব পাচারকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় নেই। মানববিরোধী এ ‌চক্রকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে।আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।