ফরহাদ রহমান,কক্সবাজার:কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী ও সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাজুড়ে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। টানা ১৪৪ ঘণ্টায় ছয়টি বিশেষ অভিযানে ব্যাটালিয়নটি উদ্ধার করেছে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা এবং গ্রেপ্তার করেছে ১০ জনকে।
বিজিবি জানায়, ২৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তিতে নাফ নদী হয়ে দুইজনকে সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিজিবির নৌ-টহল দল। উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দুটি পলিথিন প্যাকেট নদীতে ভাসিয়ে মিয়ানমারের দিকে সাঁতরে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া ওই প্যাকেট থেকে অভিনব পদ্ধতিতে মোড়ানো ৫৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
এরপর ২৪ নভেম্বর গভীর রাতে নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির কৌশলগত দলগুলো মোতায়েন করা হয়। ভোরে দমদমিয়া ও বড়ইতলীর বিপরীতে নাফ নদীর গভীর অংশে জেলের ছদ্মবেশে মিয়ানমার থেকে একটি নৌকা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে টহল দল নৌকাটি ঘিরে ফেলে। তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা। এতে একজনকে আটক করা সম্ভব হলেও নৌকায় থাকা আরও তিন পাচারকারী সাঁতরে পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি টেকনাফ অঞ্চলে সব ধরনের অপরাধ দমনে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করছি। মাদক ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে ২ বিজিবি অটল।”
আটক ব্যক্তি—মো. হাকিম আলী (৫৪), মংডুর মাংগালা এলাকার বাসিন্দা। পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল ওরফে লাল জালাল (২৫) এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি। উদ্ধারকৃত মাদক ও আটক ব্যক্তিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিনিধির নাম 



















