ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত আলীকদমে অবৈধ ইটভাটায় সাঁড়াশি অভিযান: ৩ ভাটায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা যশোরের টিটন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গুলিতে নিহত কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান শিশুদের ক্রীড়া বিকাশে আড়াইহাজারে গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার উজ্জলের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় খাল খননে স্বস্তি ফিরেছে ইসদাইরে, টানা বৃষ্টিতেও নেই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বালিয়াকান্দিতে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র জালে দুইজন আটক

পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ওষুধ কারখানা, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ (সিদ্ধিরগঞ্জ) প্রতিনিধি:-নারায়ণগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই সিদ্ধিরগঞ্জের ১০ পাইপ জালকুড়ি উত্তরপাড়া কেনেলপাড় এলাকায় জেনমার্ক ইউনানী নামক ওষুধ কারখানা সাত থেকে আট বছর পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশের ছাড়পত্রহীন এই ঔষধ কোম্পানিটি পরিচালিত হলেও রহস্যজনক কারণে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে করে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কারখানা যথাযথ নিয়ম না মেনেই উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ পুরিয়ে আশপাশের খাল-বিল ও জমিতে মিশে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এতে করে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পানির উৎস দূষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধ উৎপাদন একটি সংবেদনশীল শিল্পখাত। এখানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও নিরাপত্তা মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়ম না মানলে তা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কারখানার বর্জ্যের কারণে আমরা নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।”এ বিষয়ে, নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারখানার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ কবির হোসেন জানান তারা আমাদের কাছ থেকে ৪৪ টি আইটেম অনুমোদন নিয়েছে এর বেশি যদি উৎপাদন করে থাকে বা অবৈধ কিছু উৎপাদন করে থাকে আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সচেতন মহল মনে করছে, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পুরো সমাজকে বহন করতে হতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ওষুধ কারখানা, জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ (সিদ্ধিরগঞ্জ) প্রতিনিধি:-নারায়ণগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই সিদ্ধিরগঞ্জের ১০ পাইপ জালকুড়ি উত্তরপাড়া কেনেলপাড় এলাকায় জেনমার্ক ইউনানী নামক ওষুধ কারখানা সাত থেকে আট বছর পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশের ছাড়পত্রহীন এই ঔষধ কোম্পানিটি পরিচালিত হলেও রহস্যজনক কারণে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে করে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কারখানা যথাযথ নিয়ম না মেনেই উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ পুরিয়ে আশপাশের খাল-বিল ও জমিতে মিশে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। এতে করে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পানির উৎস দূষিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধ উৎপাদন একটি সংবেদনশীল শিল্পখাত। এখানে পরিবেশগত ছাড়পত্র ও নিরাপত্তা মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়ম না মানলে তা দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কারখানার বর্জ্যের কারণে আমরা নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।”এ বিষয়ে, নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কারখানার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ কবির হোসেন জানান তারা আমাদের কাছ থেকে ৪৪ টি আইটেম অনুমোদন নিয়েছে এর বেশি যদি উৎপাদন করে থাকে বা অবৈধ কিছু উৎপাদন করে থাকে আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সচেতন মহল মনে করছে, পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত কঠোর নজরদারি ও আইন প্রয়োগ জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে এর ভয়াবহ প্রভাব পুরো সমাজকে বহন করতে হতে পারে।