সাইফুল ইসলাম, রামগড়: পাহাড়ি অঞ্চলে বারি উদ্ভাবিত উন্নত সবজি জাতের সম্প্রসারণ এবং জৈব বালাইনাশক ব্যবহারে কৃষক-কৃষানিদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজুবাদাম ও কপি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ) এর অর্থায়নে এবং রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গবেষণা কেন্দ্রের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক, কৃষানি ও উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, উপ-সহকারী উদ্যানতত্ত্ব কর্মকর্তা এবং বৈজ্ঞানিক সহকারীরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সেলিম। তিনি পাহাড়ি অঞ্চলের উপযোগী উন্নত সবজি চাষাবাদ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এছাড়াও প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য দেন রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) কৃষিবিদ এমদাদুল হক। তিনি জৈব পদ্ধতিতে বারি উদ্ভাবিত সবজি উৎপাদনের গুরুত্ব, রাসায়নিক বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব এবং জৈব বালাইনাশকের কার্যকর ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম রাসেল ও মো. ফুয়াদ মিয়া।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পাহাড়ি অঞ্চলে উন্নত জাতের সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি, জৈব বালাইনাশকের সঠিক প্রয়োগ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে জৈব প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করা হয়।
রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমদাদুল হক জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কৃষকদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রতিনিধির নাম 



















