ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে সাধারণ মানুষ: ভাঙচুর ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের নাশকতার প্রতিবাদে মহানগর যুবদলের বিশাল মোটরসাইকেল মহড়া সিদ্ধিরগঞ্জে সুন্দর সিদ্ধিরগঞ্জ গঠন ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রেসক্লাব যশোর, নির্বাচনে টুকুন সভাপতি নূর ইসলাম সাধারণ সম্পাদক উখিয়ার সীমান্তে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার যশোরের শার্শায় ৩৫ বিঘার মাছের ঘের নিয়ে বিরোধ : প্রাণভয়ে বাড়িছাড়া ব্যবসায়ী যশোরের শার্শায় পাটের বাম্পার ফলন ও ভালো দামে খুশি চাষিরা কালাপাহাড়িয়ায় চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী গোলাম মোস্তফা সিরাজী বেনাপোলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার যশোরের ৮ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন প্রস্তুতি ঘিরে ৫৪ ভোটকেন্দ্রে পরিবর্তন

মিয়ানমারের সাবেক জান্তা প্রধানের প্রথম থাইল্যান্ড সফর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পৌঁছেছেন। বেসামরিক নেতা হিসেবে এটি তার প্রথম থাইল্যান্ড সফর।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে হয়ে পড়া মিয়ানমারকে আবারও কূটনৈতিক মূলধারায় ফিরিয়ে আনাই এ সফরের লক্ষ্য।

জেনারেল হিসেবে তিনি ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। ওই অভ্যুত্থানে গণতান্ত্রিক নেতা অং সান সু চি ক্ষমতাচ্যুত হন। এর পর দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। বিভিন্ন পক্ষের সংঘাতে এ পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ গেছে বলে ধারণা করা হয়। ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নির্বাচনের পর মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থা ও পশ্চিমা দেশগুলো ওই নির্বাচনকে প্রহসন বলে অভিহিত করে। তাদের মতে, জান্তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেই এ নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল।

এর পর থেকেই প্রতিবেশী থাইল্যান্ড দ্বিপক্ষীয়ভাবে এবং ১১ সদস্যের দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ানের (আসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস) মাধ্যমে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে আসিয়ান উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনগুলোতে মিয়ানমারের নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানায়নি। তবে গত মাসে ব্যাংককে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগ দেন।

সামরিক পোশাক ছেড়ে বেসামরিক পরিচয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মিন অং হ্লাইং কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছেন। এরই মধ্যে তিনি ভারত, ঘনিষ্ঠ মিত্র চীন এবং আসিয়ান সদস্য লাওস সফর করেছেন।

ব্যাংকক সফরের আগে সোমবার গৃহবন্দি অং সান সু চিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।

২০২১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে তাকে সাক্ষাৎ করতে দেখা গেল।

মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মরগান মাইকেলস বলেন, মিয়ানমারকে আবার আসিয়ানে ফিরিয়ে নেওয়া হলে পশ্চিমা দেশসহ অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি পথ খুলে যাবে। তবে ভারত, চীন, রাশিয়া ও থাইল্যান্ডের স্বীকৃতি তারা ইতোমধ্যেই পেয়েছে। ফলে, আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা অপরিহার্য নয়।

স্বাধীন বিশ্লেষক ডেভিড ম্যাথিসন এএফপিকে বলেন, আসিয়ানে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা মিন অং হ্লাইংয়ের জন্য মূলত ‘মর্যাদার প্রশ্ন।’

মিয়ানমারের বর্তমান নেতৃত্ব সংঘাতের অবসানে সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসিয়ানের ঘোষিত ‘ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস’ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ম্যাথিসন বলেন, ‘তিনি একদিকে নিজেকে আসিয়ানের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে তুলে ধরতে চান। আবার একই সঙ্গে পরস্পরবিরোধীভাবে ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেন।’

-সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ-

একজন থাই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানান, বৃহস্পতিবার ব্যাংককের গভর্নমেন্ট হাউসে মিন অং হ্লাইংকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চানভিরাকুলের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।

এ ছাড়া তিনি একটি ব্যবসায়িক ফোরাম এবং থাই সরকারের আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন। এ সময় দুই দেশ শ্রম সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমালোচকদের অভিযোগ, মিন অং হ্লাইংকে এভাবে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া থাইল্যান্ডের উচিত নয়। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি পশ্চিমা দেশ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) তাকে খুঁজছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের যৌক্তিক কারণ রয়েছে ব্যাংককের।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ দীর্ঘ থাই সীমান্তেও ছড়িয়ে পড়েছে। থাইল্যান্ডে মিয়ানমার থেকে আসা লাখো শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।

এ ছাড়া মিয়ানমারের অস্থিতিশীল সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সাইবার প্রতারণা চক্র ও মাদক পাচারকারীদের উপস্থিতিও থাইল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেতকেও সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, সাইবার প্রতারক চক্র দমনে মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া আরও অনেক কিছু করতে পারে বলে থাইল্যান্ড বিশ্বাস করে। মিন অং হ্লাইংয়ের সফরে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।

এক বিবৃতিতে তিনি অং সান সু চির সঙ্গে রেড ক্রস প্রতিনিধির বৈঠককে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দেশটিতে টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে আরও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।

তিন বছর আগে থাইল্যান্ডের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডন প্রামুদউইনাই ব্যক্তিগতভাবে এক ঘণ্টারও বেশি সময় অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। আটক হওয়ার আগে সেটিই ছিল কোনো বিদেশি দূতের সঙ্গে তার সর্বশেষ পরিচিত সাক্ষাৎ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে সাধারণ মানুষ: ভাঙচুর ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ

মিয়ানমারের সাবেক জান্তা প্রধানের প্রথম থাইল্যান্ড সফর

আপডেট সময় : ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে পৌঁছেছেন। বেসামরিক নেতা হিসেবে এটি তার প্রথম থাইল্যান্ড সফর।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে হয়ে পড়া মিয়ানমারকে আবারও কূটনৈতিক মূলধারায় ফিরিয়ে আনাই এ সফরের লক্ষ্য।

জেনারেল হিসেবে তিনি ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। ওই অভ্যুত্থানে গণতান্ত্রিক নেতা অং সান সু চি ক্ষমতাচ্যুত হন। এর পর দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। বিভিন্ন পক্ষের সংঘাতে এ পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ গেছে বলে ধারণা করা হয়। ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত নির্বাচনের পর মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। গণতন্ত্র পর্যবেক্ষক সংস্থা ও পশ্চিমা দেশগুলো ওই নির্বাচনকে প্রহসন বলে অভিহিত করে। তাদের মতে, জান্তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেই এ নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছিল।

এর পর থেকেই প্রতিবেশী থাইল্যান্ড দ্বিপক্ষীয়ভাবে এবং ১১ সদস্যের দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ানের (আসোসিয়েশন অব সাউথইস্ট এশিয়ান নেশনস) মাধ্যমে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে আসিয়ান উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনগুলোতে মিয়ানমারের নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানায়নি। তবে গত মাসে ব্যাংককে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগ দেন।

সামরিক পোশাক ছেড়ে বেসামরিক পরিচয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মিন অং হ্লাইং কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছেন। এরই মধ্যে তিনি ভারত, ঘনিষ্ঠ মিত্র চীন এবং আসিয়ান সদস্য লাওস সফর করেছেন।

ব্যাংকক সফরের আগে সোমবার গৃহবন্দি অং সান সু চিকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়।

২০২১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে তাকে সাক্ষাৎ করতে দেখা গেল।

মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মরগান মাইকেলস বলেন, মিয়ানমারকে আবার আসিয়ানে ফিরিয়ে নেওয়া হলে পশ্চিমা দেশসহ অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটি পথ খুলে যাবে। তবে ভারত, চীন, রাশিয়া ও থাইল্যান্ডের স্বীকৃতি তারা ইতোমধ্যেই পেয়েছে। ফলে, আসিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা অপরিহার্য নয়।

স্বাধীন বিশ্লেষক ডেভিড ম্যাথিসন এএফপিকে বলেন, আসিয়ানে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা মিন অং হ্লাইংয়ের জন্য মূলত ‘মর্যাদার প্রশ্ন।’

মিয়ানমারের বর্তমান নেতৃত্ব সংঘাতের অবসানে সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসিয়ানের ঘোষিত ‘ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস’ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

ম্যাথিসন বলেন, ‘তিনি একদিকে নিজেকে আসিয়ানের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে তুলে ধরতে চান। আবার একই সঙ্গে পরস্পরবিরোধীভাবে ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেন।’

-সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ-

একজন থাই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে জানান, বৃহস্পতিবার ব্যাংককের গভর্নমেন্ট হাউসে মিন অং হ্লাইংকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে।

এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চানভিরাকুলের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।

এ ছাড়া তিনি একটি ব্যবসায়িক ফোরাম এবং থাই সরকারের আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন। এ সময় দুই দেশ শ্রম সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমালোচকদের অভিযোগ, মিন অং হ্লাইংকে এভাবে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া থাইল্যান্ডের উচিত নয়। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি পশ্চিমা দেশ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) তাকে খুঁজছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের যৌক্তিক কারণ রয়েছে ব্যাংককের।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ দীর্ঘ থাই সীমান্তেও ছড়িয়ে পড়েছে। থাইল্যান্ডে মিয়ানমার থেকে আসা লাখো শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে।

এ ছাড়া মিয়ানমারের অস্থিতিশীল সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সাইবার প্রতারণা চক্র ও মাদক পাচারকারীদের উপস্থিতিও থাইল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেতকেও সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, সাইবার প্রতারক চক্র দমনে মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া আরও অনেক কিছু করতে পারে বলে থাইল্যান্ড বিশ্বাস করে। মিন অং হ্লাইংয়ের সফরে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে।

এক বিবৃতিতে তিনি অং সান সু চির সঙ্গে রেড ক্রস প্রতিনিধির বৈঠককে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দেশটিতে টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে আরও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেবে।

তিন বছর আগে থাইল্যান্ডের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডন প্রামুদউইনাই ব্যক্তিগতভাবে এক ঘণ্টারও বেশি সময় অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। আটক হওয়ার আগে সেটিই ছিল কোনো বিদেশি দূতের সঙ্গে তার সর্বশেষ পরিচিত সাক্ষাৎ।