ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১১ দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন : ঐতিহ্যবাহী বট পরিবারে দুই মৃত্যুর নেপথ্যে কী? বরুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে রদবদল কলকাতা- বেনাপোল -খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুই বছর পর চালু হচ্ছে টেকনাফে গাড়ি ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ, ইয়াবা বহনে চাপ দেওয়ারও দাবি উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার তল্লাশিতে মিললো না শরীরে থাকা সোনার পেস্ট, এক্সরেতে ধরা আত্মকর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা: নারায়ণগঞ্জ সদরে মাশরুম চাষ প্রশিক্ষণ শুরু রাজবাড়ীতে জেলা পরিষদ হিসাব রক্ষকের মার্কেট নির্মাণের সুবিধার্থে সরকারী ল্যাট্রিন ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য রুখতে নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের মোটরসাইকেল টহল সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার রোষানলে সাধারণ মানুষ: ভাঙচুর ও সাংবাদিকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ

তল্লাশিতে মিললো না শরীরে থাকা সোনার পেস্ট, এক্সরেতে ধরা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি : ভারতগামী এক যাত্রীর রেকটামে লুকিয়ে রাখা ৮২ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ ঘটনায় আল মামুন (৫৫) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করা হয়।

আটক আল মামুন ঢাকার মাতুয়াইল ডেমরার শান্তিবাগ স্কুল রোড এলাকার মফিজুল হকের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-এ-২২৫৫৪১৫৫।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এলাকার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভারতগামী সন্দেহভাজন বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রী যাত্রী আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যাত্রী সোনা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তার আচরণ ও পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হতে একটি ক্লিনিকে নিয়ে শরীরের এক্সরে পরীক্ষা করা হয়। এতে তার রেকটামে স্বর্ণসদৃশ বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী শরীরের অভ্যন্তরে সোনা বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তার কাছ থেকে ৮২ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানায়, আটক সোনা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম হাউস, বেনাপোলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক স্বর্ণবহনকারীকে স্বর্ণ পাচার আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শরীরের অভ্যন্তরে সোনা লুকিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের এ কৌশলের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন : ঐতিহ্যবাহী বট পরিবারে দুই মৃত্যুর নেপথ্যে কী?

তল্লাশিতে মিললো না শরীরে থাকা সোনার পেস্ট, এক্সরেতে ধরা

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি : ভারতগামী এক যাত্রীর রেকটামে লুকিয়ে রাখা ৮২ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনা উদ্ধার করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ ঘটনায় আল মামুন (৫৫) নামের এক বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করা হয়।

আটক আল মামুন ঢাকার মাতুয়াইল ডেমরার শান্তিবাগ স্কুল রোড এলাকার মফিজুল হকের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-এ-২২৫৫৪১৫৫।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন এলাকার জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভারতগামী সন্দেহভাজন বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রী যাত্রী আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যাত্রী সোনা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তার আচরণ ও পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় অধিকতর নিশ্চিত হতে একটি ক্লিনিকে নিয়ে শরীরের এক্সরে পরীক্ষা করা হয়। এতে তার রেকটামে স্বর্ণসদৃশ বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই যাত্রী শরীরের অভ্যন্তরে সোনা বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তার কাছ থেকে ৮২ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানায়, আটক সোনা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টম হাউস, বেনাপোলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক স্বর্ণবহনকারীকে স্বর্ণ পাচার আইনে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

শরীরের অভ্যন্তরে সোনা লুকিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের এ কৌশলের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।