ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরের শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে উখিয়ায় কেফায়াত হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ওয়ান শুটার গান বিশ্ব পর্যটন দিবসে নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালিও আলোচনা সভা, পর্যটন বিকাশে ডিজিটাল রূপান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ ডিসির বালিয়াকান্দিতে বিএনপি, যুবদল সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল ও লিফলেট বিতরণ সিদ্ধিরগঞ্জে মৃত শ্রমিক নেতাদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ বালিয়াকান্দিতে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সৌদি আরবে প্রবাসী সাংবাদিকদের নেতৃত্বে ফারুক আহমেদ চাঁনের ৩০ বছর টেকনাফে ৯০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রূপসী বাংলা যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত টেকনাফে ওয়ারেন্টভুক্ত রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিরতা কাটিয়ে শান্তির নগরী নারায়ণগঞ্জ: নেপথ্যে ডিসি রায়হান কবিরের দক্ষ নেতৃত্ব

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী তীব্র অস্থিরতা, অরাজকতা, মব-ভায়োলেন্স ও অনিশ্চয়তার অন্ধকার কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জ। ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে আজকের শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের নেপথ্যে রয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের দক্ষ, বিচক্ষণ ও মানবিক নেতৃত্ব।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়া প্রশাসনিক কাঠামোকে দ্রুত পুনর্গঠিত করেন। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি নারায়ণগঞ্জে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনেন।

তার নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার বিচক্ষণ পদক্ষেপ। নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা, সকল প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা এবং প্রশাসনের সকল স্তরে সমন্বয় বৈঠক করেন। তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলী ব্যবস্থাপনায় নারায়ণগঞ্জে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা সারাদেশে প্রশংসিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কঠোর নিরাপত্তা নির্দেশনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্যোগের কারণে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠান অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

অপরদিকে ভূমি সেবায় তিনি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। ভূমি সেক্টরের ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে তিনি জেলার প্রতিটি ভূমি অফিস সরেজমিনে পরিদর্শন করেন, কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন এবং সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা শোনেন।

এছাড়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, মাদকবিরোধী অভিযান, শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে মব জাস্টিস সম্পূর্ণ বন্ধ, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে তার জিরো টলারেন্স নীতি জনমনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

নগরীর বিশিষ্টজনরা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী কঠিন সময়ে ডিসি রায়হান কবির যেভাবে নারায়ণগঞ্জকে আগলে রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা ও সততা থাকলে অল্প সময়েও একটি জেলাকে শান্তি ও সুশাসনের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

জনবান্ধব ও দূরদর্শী প্রশাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের এই ভূমিকা এখন জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় এক সপ্তাহে শিশুসহ ২২ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিরতা কাটিয়ে শান্তির নগরী নারায়ণগঞ্জ: নেপথ্যে ডিসি রায়হান কবিরের দক্ষ নেতৃত্ব

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী তীব্র অস্থিরতা, অরাজকতা, মব-ভায়োলেন্স ও অনিশ্চয়তার অন্ধকার কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জ। ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে আজকের শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের নেপথ্যে রয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের দক্ষ, বিচক্ষণ ও মানবিক নেতৃত্ব।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভেঙে পড়া প্রশাসনিক কাঠামোকে দ্রুত পুনর্গঠিত করেন। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে তিনি নারায়ণগঞ্জে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনেন।

তার নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার বিচক্ষণ পদক্ষেপ। নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা, সকল প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা এবং প্রশাসনের সকল স্তরে সমন্বয় বৈঠক করেন। তার বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলী ব্যবস্থাপনায় নারায়ণগঞ্জে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা সারাদেশে প্রশংসিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কঠোর নিরাপত্তা নির্দেশনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্যোগের কারণে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠান অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

অপরদিকে ভূমি সেবায় তিনি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। ভূমি সেক্টরের ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করে তিনি জেলার প্রতিটি ভূমি অফিস সরেজমিনে পরিদর্শন করেন, কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেন এবং সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা শোনেন।

এছাড়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্তকরণ, মাদকবিরোধী অভিযান, শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ রোধ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে মব জাস্টিস সম্পূর্ণ বন্ধ, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে তার জিরো টলারেন্স নীতি জনমনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

নগরীর বিশিষ্টজনরা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী কঠিন সময়ে ডিসি রায়হান কবির যেভাবে নারায়ণগঞ্জকে আগলে রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি প্রমাণ করেছেন, সদিচ্ছা ও সততা থাকলে অল্প সময়েও একটি জেলাকে শান্তি ও সুশাসনের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

জনবান্ধব ও দূরদর্শী প্রশাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের এই ভূমিকা এখন জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত।