ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেকুয়া-চকরিয়ায় জেলা প্রশাসকের ত্রাণ বিতরণ রথযাত্রা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি: এসপি মিজানুর রহমান নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ নাসিক ৪নং ওয়ার্ডের কোনাপাড়া জামে মসজিদে নতুন এসি স্থাপন করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করে দিলেন মুসল্লিদের উক্ত মসজিদ,মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি টি এইচ তোফা নাসিক ১ নং ওয়ার্ডে জনসেবায় অনন্য নজিরে সবার মুখে মুখে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা শহিদুল ইসলামের মানবিক কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসীর সাধুবাদ টেকনাফে মাটির নিচ থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ, পাচারকারীরা পালিয়েছে কক্সবাজারে স্লিপার কোচে ৯২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, হেল্পার আটক পটিয়ায় পানিবন্দী মানুষের পাশে দাড়ালোন যুবদলের সদস্য সচিব ওহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু। পানিবন্দী অসহায় মানুষের দুর্দশা লাঘবে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসামগ্রী নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে ডিসি জাহিদ টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান, পানিবন্দিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ যশোরে পানিবন্দী মানুষের পাশে বিএনপি নেতাকর্মীরা, ঘরে ঘরে খাবার বিতরণ

বেনাপোল স্থলবন্দরে এক দিনের বৃষ্টিতেই পণ্য ভিজে কোটি টাকার ক্ষতি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:-
শুক্রবার১০জুলাই মাত্র এক দিনের ভারী বর্ষণেই বেনাপোল স্থলবন্দরের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার চরম বেহাল দশা ফুটে উঠেছে। বৃষ্টির পানিতে বন্দরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শেডগুলোতে রাখা আমদানিকৃত মূল্যবান পণ্য সামগ্রী ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।এর ফলে আমদানিকারকদের গুনতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকার লোকসান। এমন অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক ব্যবসায়ী এই বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।​সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দরের ভেতরে পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত জমে ড্রেন উপচে শেডগুলোর ভেতরে প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে বন্দরের ১২, ১৩, ১৭ এবং ১৮ নম্বর শেড সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে।এসব শেডে থাকা শত শত টেক্সটাইল রোল, সুতা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কাঁচামাল সরাসরি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। রোলের নিচে থাকা অংশগুলো পানিতে ভিজে যাওয়ায় এসব পণ্য এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ার মুখে।​ভুক্তভোগী আমদানিকারকরা জানান, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে বন্দরে এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী বা কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এবারও তাদের কোটি কোটি টাকার পণ্য এভাবে নষ্ট হলো।ব্যবসায়ীদের দাবি, সময়মতো পণ্য খালাস করতে না পারা এবং তার ওপর পানিতে পণ্য ভিজে যাওয়ার কারণে তারা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এভাবে চলতে থাকলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি সচল রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
​​এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি এবং স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, বেনাপোল দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।তারা অনতিবিলম্বে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি আধুনিক ও দূরদর্শী স্থায়ী নীতিমালা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।অবিলম্বে শেডগুলোর উচ্চতা বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশনের পাম্প ও ড্রেন সংস্কার করা না হলে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎপাদনকারী বন্দরটি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।#

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়া-চকরিয়ায় জেলা প্রশাসকের ত্রাণ বিতরণ

বেনাপোল স্থলবন্দরে এক দিনের বৃষ্টিতেই পণ্য ভিজে কোটি টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ০২:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:-
শুক্রবার১০জুলাই মাত্র এক দিনের ভারী বর্ষণেই বেনাপোল স্থলবন্দরের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার চরম বেহাল দশা ফুটে উঠেছে। বৃষ্টির পানিতে বন্দরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শেডগুলোতে রাখা আমদানিকৃত মূল্যবান পণ্য সামগ্রী ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।এর ফলে আমদানিকারকদের গুনতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকার লোকসান। এমন অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক ব্যবসায়ী এই বন্দর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।​সরেজমিনে দেখা গেছে, বন্দরের ভেতরে পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত জমে ড্রেন উপচে শেডগুলোর ভেতরে প্রবেশ করেছে। বিশেষ করে বন্দরের ১২, ১৩, ১৭ এবং ১৮ নম্বর শেড সম্পূর্ণভাবে প্লাবিত হয়েছে।এসব শেডে থাকা শত শত টেক্সটাইল রোল, সুতা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক কাঁচামাল সরাসরি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। রোলের নিচে থাকা অংশগুলো পানিতে ভিজে যাওয়ায় এসব পণ্য এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ার মুখে।​ভুক্তভোগী আমদানিকারকরা জানান, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে বন্দরে এমন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো স্থায়ী বা কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এবারও তাদের কোটি কোটি টাকার পণ্য এভাবে নষ্ট হলো।ব্যবসায়ীদের দাবি, সময়মতো পণ্য খালাস করতে না পারা এবং তার ওপর পানিতে পণ্য ভিজে যাওয়ার কারণে তারা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এভাবে চলতে থাকলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি সচল রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
​​এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতি এবং স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, বেনাপোল দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর হওয়া সত্ত্বেও এখানকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।তারা অনতিবিলম্বে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি আধুনিক ও দূরদর্শী স্থায়ী নীতিমালা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।অবিলম্বে শেডগুলোর উচ্চতা বৃদ্ধি এবং পানি নিষ্কাশনের পাম্প ও ড্রেন সংস্কার করা না হলে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎপাদনকারী বন্দরটি বড় ধরনের সংকটে পড়বে।#