ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জ সদরের রাস্তা ও স্কুল পরিদর্শন সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার বিতরণ করলেন ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন কেশবপুরের ইউএনও রেকসোনা খাতুন ,বিদায় বেলায় কাঁদলেন চাইলেন দোয়া প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে বিশ্বকবির ৮৫তম প্রয়াণ দিবস পালন নারায়ণগঞ্জ সদরের রাস্তা ও স্কুল পরিদর্শন সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার বিতরণ করলেন ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন পটিয়ায় শাহ্ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা আমিনুল হক তালুকদারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী পালন কক্সবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশনায় রূপগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চেইন ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আটক ১ পালংখালী সীমান্তে ৩ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক যশোর বোর্ডের ১১ প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য

যশোর বোর্ডের ১১ প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এবার যশোর বোর্ডের ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৭৫টি। অন্যদিকে, এবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বোর্ডের অধীনে এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে শতভাগ ফেল করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোরের চারটি, সাতক্ষীরার চারটি, খুলনার দুটি এবং বাগেরহাটের একটি রয়েছে।

যশোরের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, যেখানে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে; চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুলের তিনজন; যশোরের শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুলের দুইজন এবং মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুলের একজন পরীক্ষার্থী।

সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুলের সাতজন, আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন, দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন এবং শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থী।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন এবং খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থীও সবাই ফেল করেছে।

এ ছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেনি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ সদরের রাস্তা ও স্কুল পরিদর্শন সহ শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার বিতরণ করলেন ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন

যশোর বোর্ডের ১১ প্রতিষ্ঠানে এসএসসিতে শতভাগ অকৃতকার্য

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে। বিপরীতে বেড়েছে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এবার যশোর বোর্ডের ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৭৫টি। অন্যদিকে, এবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বোর্ডের অধীনে এবার ২ হাজার ৫৮১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে শতভাগ ফেল করা ১১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যশোরের চারটি, সাতক্ষীরার চারটি, খুলনার দুটি এবং বাগেরহাটের একটি রয়েছে।

যশোরের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মণিরামপুর উপজেলার হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, যেখানে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে; চান্দুয়া সমসকাটি গার্লস হাইস্কুলের তিনজন; যশোরের শার্শা উপজেলার সাড়াতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুলের দুইজন এবং মুক্তিযোদ্ধা জিকেজিএস সেকেন্ডারি গার্লস স্কুলের একজন পরীক্ষার্থী।

সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—সদর উপজেলার সাতক্ষীরা নাইসা সেকেন্ডারি স্কুলের সাতজন, আশাশুনি উপজেলার গোদারা সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন, দেবহাটা উপজেলার বাবুরাবাদ ধাপুখালি সেকেন্ডারি স্কুলের চারজন এবং শ্যামনগর উপজেলার সাহেবখালি সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থী।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাতেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারজন এবং খালিশপুরের আসমা সরওয়ার ইসলামিক উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন পরীক্ষার্থীও সবাই ফেল করেছে।

এ ছাড়া বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ডি এন একতা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুইজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেনি।