ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন অসচ্ছল মাদ্রাসা ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের ৮ উপজেলায় হফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা কুমিল্লায় রাতে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল, দুপুরে মিলল ৯০ বস্তা নষ্ট ও ক্রাশ করা মাদকের খালি বোতল যশোর শার্শায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক প্রেসক্লাব যশোরে শহীদ সাংবাদিক শামছুর রহমান হলরুমের উদ্বোধন মতলব উত্তর সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ বদলী !

জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে জেলা প্রশাসন বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই সম্মাননা প্রদান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রচলিত রাষ্ট্রীয় প্রটোকল মেনেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশস্থলে যাওয়ার আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আলীনুর খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেনের উপস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।

বিরোধী দলীয় এক নেতা দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন ওঠে। ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের একাংশ এর সমালোচনা করে প্রশাসনের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত আছে কারা ‘গার্ড অব অনার’ পাবেন। বিরোধী দলীয় নেতা মন্ত্রী পদমর্যাদার হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। সে অনুযায়ী তাকে গার্ড অব অনার ও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।তাছাড়া তিনি যেই জেলাতে গিয়েছেন সেখানেই তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যায়।

জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে আরও জানা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদধারীর ক্ষেত্রে এ প্রটোকল প্রযোজ্য। বিষয়টি সম্পর্কে অনেকে অবগত না থাকায় সমালোচনা হচ্ছে। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছি।

ঘটনাটি ঘিরে বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মসূচিতে যোগ দিলে ‘গার্ড অব অনার’ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কোন সুযোগ নাই। কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা বিরোধী দলীয় নেতাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ায় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।জেলা প্রশাসন রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল মেনে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে জেলা প্রশাসন বলছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মেনেই সম্মাননা প্রদান

আপডেট সময় : ১১:০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের দাবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রচলিত রাষ্ট্রীয় প্রটোকল মেনেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশস্থলে যাওয়ার আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি আলীনুর খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেনের উপস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন।

বিরোধী দলীয় এক নেতা দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্ন ওঠে। ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের একাংশ এর সমালোচনা করে প্রশাসনের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত আছে কারা ‘গার্ড অব অনার’ পাবেন। বিরোধী দলীয় নেতা মন্ত্রী পদমর্যাদার হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। সে অনুযায়ী তাকে গার্ড অব অনার ও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।তাছাড়া তিনি যেই জেলাতে গিয়েছেন সেখানেই তাকে গার্ড অফ অনার প্রদান করা হয়েছে বলে জানা যায়।

জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে আরও জানা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদধারীর ক্ষেত্রে এ প্রটোকল প্রযোজ্য। বিষয়টি সম্পর্কে অনেকে অবগত না থাকায় সমালোচনা হচ্ছে। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছি।

ঘটনাটি ঘিরে বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মসূচিতে যোগ দিলে ‘গার্ড অব অনার’ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কোন সুযোগ নাই। কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা বিরোধী দলীয় নেতাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়ায় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।জেলা প্রশাসন রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল মেনে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন।