ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর খেদমত করলেই মাদরাসার খরচে উমরাহ, প্রতিশ্রুতি পূরণে গেলেন পাঁচ উস্তাদ নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে মসজিদ উদ্বোধন করেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চার চা বাগান, মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ যশোর অভয়নগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারী আটক যশোরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে

রামগড়ে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

সাইফুল ইসলাম, রামগড়: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে কফি চাষে সফলতা অর্জন করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা কফি গাছে ফলন আসায় গবেষকরা মনে করছেন, পাহাড়ি এ অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এতে স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কফি চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

একসময় কফিকে শুধুই বিদেশি পানীয় হিসেবে ভাবা হলেও বর্তমানে দেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে কফি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তারই অংশ হিসেবে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষামূলকভাবে কফি চাষের গবেষণা চালিয়ে আসছে।

গবেষণা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছের মাঝখানে সারি সারি কফি গাছ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার এসব গাছে তেলতেলে সবুজ পাতা এবং ডালজুড়ে গুচ্ছ গুচ্ছ সবুজ কফি ফল দেখা গেছে। প্রথম দেখায় অনেকেই এগুলোকে বুনো ফল মনে করলেও প্রকৃতপক্ষে সেগুলো কফির ফল।

গবেষকদের মতে, রামগড়ের পাহাড়ি মাটি, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ফলে পরীক্ষামূলক চাষে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ  মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “আমরা  কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অংগ) আওতায় পরীক্ষামূলক বাগানের মাটিতে কফি চাষ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছি,পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকরা চাইলে নিশ্চিন্তে কফি চাষ করতে পারবেন।”তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কৃষকদের মাঝে কফি চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রামগড়ে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৯:০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

সাইফুল ইসলাম, রামগড়: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে কফি চাষে সফলতা অর্জন করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা কফি গাছে ফলন আসায় গবেষকরা মনে করছেন, পাহাড়ি এ অঞ্চল বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। এতে স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কফি চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

একসময় কফিকে শুধুই বিদেশি পানীয় হিসেবে ভাবা হলেও বর্তমানে দেশের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে কফি চাষের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তারই অংশ হিসেবে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষামূলকভাবে কফি চাষের গবেষণা চালিয়ে আসছে।

গবেষণা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছের মাঝখানে সারি সারি কফি গাছ দৃষ্টিগোচর হচ্ছে। ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার এসব গাছে তেলতেলে সবুজ পাতা এবং ডালজুড়ে গুচ্ছ গুচ্ছ সবুজ কফি ফল দেখা গেছে। প্রথম দেখায় অনেকেই এগুলোকে বুনো ফল মনে করলেও প্রকৃতপক্ষে সেগুলো কফির ফল।

গবেষকদের মতে, রামগড়ের পাহাড়ি মাটি, অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত কফি চাষের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ফলে পরীক্ষামূলক চাষে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ  মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “আমরা  কাজু বাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অংগ) আওতায় পরীক্ষামূলক বাগানের মাটিতে কফি চাষ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছি,পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য উপযোগী। কৃষকরা চাইলে নিশ্চিন্তে কফি চাষ করতে পারবেন।”তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে কৃষকদের মাঝে কফি চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।।