ঢাকা ০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর খেদমত করলেই মাদরাসার খরচে উমরাহ, প্রতিশ্রুতি পূরণে গেলেন পাঁচ উস্তাদ নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে মসজিদ উদ্বোধন করেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চার চা বাগান, মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ যশোর অভয়নগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারী আটক যশোরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে

টেকনাফ নাফ নদীপথে পাচারের সময় ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীপথে পাচারের সময় মালিকবিহীন ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায় এক চোরাকারবারি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীন হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ সংলগ্ন কেরেঙ্গাঘোনা-০২ পোস্টের কাছে মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তি একটি পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ওই ব্যক্তি কালো কাপড়ে মোড়ানো পোটলাটি ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে কালো কাপড়ে মোড়ানো একটি পলিথিনের ভেতর খাকি রঙের পোটলা থেকে নীল রঙের বায়ুরোধী ছয়টি প্যাকেটে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আশপাশে আরও তল্লাশি চালানো হলেও অন্য কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

বিজিবি জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন এবং চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে সফল অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টেকনাফ নাফ নদীপথে পাচারের সময় ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীপথে পাচারের সময় মালিকবিহীন ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায় এক চোরাকারবারি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীন হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ সংলগ্ন কেরেঙ্গাঘোনা-০২ পোস্টের কাছে মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তি একটি পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে টহল দল তাকে চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় ওই ব্যক্তি কালো কাপড়ে মোড়ানো পোটলাটি ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে কালো কাপড়ে মোড়ানো একটি পলিথিনের ভেতর খাকি রঙের পোটলা থেকে নীল রঙের বায়ুরোধী ছয়টি প্যাকেটে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে আশপাশে আরও তল্লাশি চালানো হলেও অন্য কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, “মাদক চোরাকারবারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও কঠোর অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

বিজিবি জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক দমন এবং চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে সফল অভিযান পরিচালনা করে আসছে।