ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর খেদমত করলেই মাদরাসার খরচে উমরাহ, প্রতিশ্রুতি পূরণে গেলেন পাঁচ উস্তাদ নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে মসজিদ উদ্বোধন করেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চার চা বাগান, মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ যশোর অভয়নগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারী আটক যশোরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে

গণশুনানিতে – মানুষের আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব’ : ডিসি মো: রায়হান কবির

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:নাগরিক সেবার মান ও গতি বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। প্রতি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির। বুধবার [৮ জুলাই] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু সেবাগ্রহীতার সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলেছি। তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদিও আমাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের স্বাভাবিক কার্যক্রম সপ্তাহজুড়েই চলমান থাকে, তবুও আমি এই নির্দিষ্ট দুই ঘণ্টা সময় কেবল সাধারণ মানুষের কথা শোনার জন্যই আলাদা করে রেখেছি।”তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের দরজা জনগণের জন্য সব সময়ই খোলা।”গণশুনানিতে কোথাও তাড়াহুড়া ছিল না, ছিল না কোনো বিরক্তি।প্রতিটি অভিযোগ কারীর কথা মনোযোগ সহকারে শুনেন, প্রতিটি আবেদনকারীর পারিবারিক অবস্থা, রোগব্যাধি, আর্থিক সংকট ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান জেলা প্রশাসক। পরে মানবিক বিবেচনায় তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। ডিসি রায়হান কবির বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের বেদনা। কেউ সরকারি সেবা না পেয়ে অভিযোগ করতে আসে, কেউ চিকিৎসার জন্য আসে, কেউ সন্তানের পড়াশোনা বাঁচাতে আসে, কেউ শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সাহায্য চায়। বিভিন্ন ভুক্তভোগী পরিবার এখানে আসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য। মানুষের এই আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব।”তিনি আরও বলেন, “সরকারি নীতিমালার আলোকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। মানুষের কষ্ট মন দিয়ে শোনা এবং সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা — এটিও জনসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”জেলা প্রশাসকের কক্ষে শুধু আবেদনপত্র জমা পড়েনি — জমা পড়েছিল মানুষের শেষ ভরসা। আর সেই ভরসার বাস্তবায়নে হাত বাড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এ সময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, ভুক্তভোগী পরিবার ও সেবা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গণশুনানিতে – মানুষের আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব’ : ডিসি মো: রায়হান কবির

আপডেট সময় : ০৮:৪০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ:নাগরিক সেবার মান ও গতি বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। প্রতি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান কবির। বুধবার [৮ জুলাই] জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বেশ কিছু সেবাগ্রহীতার সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরাসরি কথা বলেছি। তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি এবং অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। যদিও আমাদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধানের স্বাভাবিক কার্যক্রম সপ্তাহজুড়েই চলমান থাকে, তবুও আমি এই নির্দিষ্ট দুই ঘণ্টা সময় কেবল সাধারণ মানুষের কথা শোনার জন্যই আলাদা করে রেখেছি।”তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের দরজা জনগণের জন্য সব সময়ই খোলা।”গণশুনানিতে কোথাও তাড়াহুড়া ছিল না, ছিল না কোনো বিরক্তি।প্রতিটি অভিযোগ কারীর কথা মনোযোগ সহকারে শুনেন, প্রতিটি আবেদনকারীর পারিবারিক অবস্থা, রোগব্যাধি, আর্থিক সংকট ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান জেলা প্রশাসক। পরে মানবিক বিবেচনায় তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন। ডিসি রায়হান কবির বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের বেদনা। কেউ সরকারি সেবা না পেয়ে অভিযোগ করতে আসে, কেউ চিকিৎসার জন্য আসে, কেউ সন্তানের পড়াশোনা বাঁচাতে আসে, কেউ শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে সাহায্য চায়। বিভিন্ন ভুক্তভোগী পরিবার এখানে আসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য। মানুষের এই আস্থার জায়গাটিকে মর্যাদা দেওয়া জেলা প্রশাসনের সকলের দায়িত্ব।”তিনি আরও বলেন, “সরকারি নীতিমালার আলোকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। মানুষের কষ্ট মন দিয়ে শোনা এবং সম্ভব হলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা — এটিও জনসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”জেলা প্রশাসকের কক্ষে শুধু আবেদনপত্র জমা পড়েনি — জমা পড়েছিল মানুষের শেষ ভরসা। আর সেই ভরসার বাস্তবায়নে হাত বাড়িয়ে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। এ সময় জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, ভুক্তভোগী পরিবার ও সেবা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।