ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক বিরোধের জেরে এক রোহিঙ্গা নারীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত এক বাঙালি যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ১৬ এপিবিএন।
রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে টেকনাফের ২৪ নম্বর লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের ব্লক-সি/১৬ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত নারী হালিমা খাতুন (৪৭) ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ক্যাম্পের আইওএম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে হালিমা খাতুন ও তার দ্বিতীয় স্বামী হাসু মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ বিষয়ে পাশের বাড়ির নূর আয়েশার সঙ্গে কথা বলার সময় নূর আয়েশার ছেলে মিজানুর রহমান এসে হালিমা খাতুনের ঘাড়ের পেছনে ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আহত নারীর ছেলে বাদশা মিয়া বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় বাঙালি যুবক মিজানুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর-৮৮, তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬। মামলাটি দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৩২৬/৩০৭/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে।
মামলার পর লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের এসআই (নিঃ) সঞ্জিত কুমার রায় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে ক্যাম্প-২৪-এর ব্লক-সি/১৬-এর মৌলভী পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি মিজানুর রহমান (৩০)-কে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান দক্ষিণ হ্নীলা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভী পাড়ার ছৈয়দ আলমের ছেলে।
গ্রেপ্তারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতেও বিষয়টি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 

















