ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা কুমিল্লায় রাতে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল, দুপুরে মিলল ৯০ বস্তা নষ্ট ও ক্রাশ করা মাদকের খালি বোতল যশোর শার্শায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক প্রেসক্লাব যশোরে শহীদ সাংবাদিক শামছুর রহমান হলরুমের উদ্বোধন মতলব উত্তর সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ বদলী ! ভবদহ দ্রুত নিরসনের দাবিতে যশোর ডিসি অফিস চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন উখিয়ায় র‌্যাব-সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার মাদক ও জুয়া থেকে তরুণদের রক্ষায় খেলাধুলার বিকল্প নেই ধনাগোদা রিভারভিউ ভাসমান রিসোর্ট এ্যান্ড রেস্টুরেন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধের আদেশ ভ্রাম্যমান আদালতের ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার

পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ‘‘হাজী আলম শাহ্্’’ নামের এক ব্যক্তির ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রয় হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘদিন সংঘর্ষ, হানাহানি চলে আসার পর এবার হেবা (হস্তান্তর) দলিল নিয়ে এক ভাই আরেক ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আলম শাহ্্ এর পুত্র হোসেন আহমদের ওয়ারিশ ছালেহ আহমদের ছেলে সাইফুদ্দীন খালেদকে তার মা ও বোন ৯ শতক ভূমি হেবা দলিল মূলে হস্তান্তর করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছালেহ আহমদের পুত্র মোহাম্মদ সেলিম, ইছহাক ও নাজিম বাদী হয়ে পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (অপর ৪০/২৫) একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আদালত কয়েকদিন আগে ভূমি বিক্রয় ও হস্তান্তর না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। এব্যাপারে সাইফুদ্দীন খালেদ জানান, মামলাটিতে ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রয় ও হস্তান্তরযোগ্য নয় বিষয়টি উল্লেখ করে এবং শর্ত মোতাবেক আদালতের কাছে নিষেধাজ্ঞা চাহিলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিন্তু এর পূর্বে হোসেন আহমদ ও দুদু মিয়ার ওয়ারিশগণ বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন দাগাদির সম্পত্তি বিক্রয় ও হস্তান্তর করেছে। ১৯৩০ সালে আলম শাহ্্

দুই  পুত্রকে আওলাদী ওয়াকফ মূলে মোতাওয়াল্লী নিযুক্ত করে ওয়াকফ  সম্পত্তির দলিল হস্তান্তর করেন। ১৯৬৪ সালে হোসেন আহমদ তার ৬ পুত্র ও ৩ কন্যার নামে তার প্রাপ্য সম্পত্তির অছিয়ত নামা লিখে দেন। আর,এস বি,এস রেকর্ড মতে হোছেন আহমদ এর ওয়ারিশগণ ২০২২ সালে ০৬ শতক ভূমি শহীদুল ইসলাম এর নিকট বিক্রয় করেন। ২০০৯ সালে আবদুল জলিল সওদাগরকে প্রায় ০৪ শতক ভূমি এওয়াজ নামা করেন। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে শহীদুল আলম, আমির আহমদ, উত্তম দাশ সহ ৭/৮ জন ব্যক্তির নিকট উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করেন। এমনকি আদালতে মামলা চলাকালীন উক্ত মামলার বাদী কয়েকজন ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি বিক্রয় করেন। সাইফুদ্দীন খালেদের অভিযোগ শর্ত ভঙ্গ করে পূর্বে ওয়াক্্ফ সম্পত্তি বিক্রয় হস্তান্তর করলেও কেউ বাঁধা দেয়নি। কিন্তু তার মা ও বোন তাকে কিছু ভূমি হস্তান্তর করলে ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। তিনি এব্যাপারে ওয়াক্্ফ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবী জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা

পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের ‘‘হাজী আলম শাহ্্’’ নামের এক ব্যক্তির ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রয় হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘদিন সংঘর্ষ, হানাহানি চলে আসার পর এবার হেবা (হস্তান্তর) দলিল নিয়ে এক ভাই আরেক ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আলম শাহ্্ এর পুত্র হোসেন আহমদের ওয়ারিশ ছালেহ আহমদের ছেলে সাইফুদ্দীন খালেদকে তার মা ও বোন ৯ শতক ভূমি হেবা দলিল মূলে হস্তান্তর করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছালেহ আহমদের পুত্র মোহাম্মদ সেলিম, ইছহাক ও নাজিম বাদী হয়ে পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে (অপর ৪০/২৫) একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় আদালত কয়েকদিন আগে ভূমি বিক্রয় ও হস্তান্তর না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। এব্যাপারে সাইফুদ্দীন খালেদ জানান, মামলাটিতে ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রয় ও হস্তান্তরযোগ্য নয় বিষয়টি উল্লেখ করে এবং শর্ত মোতাবেক আদালতের কাছে নিষেধাজ্ঞা চাহিলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। কিন্তু এর পূর্বে হোসেন আহমদ ও দুদু মিয়ার ওয়ারিশগণ বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন দাগাদির সম্পত্তি বিক্রয় ও হস্তান্তর করেছে। ১৯৩০ সালে আলম শাহ্্

দুই  পুত্রকে আওলাদী ওয়াকফ মূলে মোতাওয়াল্লী নিযুক্ত করে ওয়াকফ  সম্পত্তির দলিল হস্তান্তর করেন। ১৯৬৪ সালে হোসেন আহমদ তার ৬ পুত্র ও ৩ কন্যার নামে তার প্রাপ্য সম্পত্তির অছিয়ত নামা লিখে দেন। আর,এস বি,এস রেকর্ড মতে হোছেন আহমদ এর ওয়ারিশগণ ২০২২ সালে ০৬ শতক ভূমি শহীদুল ইসলাম এর নিকট বিক্রয় করেন। ২০০৯ সালে আবদুল জলিল সওদাগরকে প্রায় ০৪ শতক ভূমি এওয়াজ নামা করেন। এছাড়াও পর্যায়ক্রমে শহীদুল আলম, আমির আহমদ, উত্তম দাশ সহ ৭/৮ জন ব্যক্তির নিকট উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করেন। এমনকি আদালতে মামলা চলাকালীন উক্ত মামলার বাদী কয়েকজন ব্যক্তির নিকট সম্পত্তি বিক্রয় করেন। সাইফুদ্দীন খালেদের অভিযোগ শর্ত ভঙ্গ করে পূর্বে ওয়াক্্ফ সম্পত্তি বিক্রয় হস্তান্তর করলেও কেউ বাঁধা দেয়নি। কিন্তু তার মা ও বোন তাকে কিছু ভূমি হস্তান্তর করলে ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। তিনি এব্যাপারে ওয়াক্্ফ কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবী জানান।