ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নির্বাচনে পরাজয়ের পর ক্ষমতা ধরে রাখতে অভ্যুত্থানের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী রাজনীতিক ও সাংবাদিকদের দাবি, নেতানিয়াহু নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতকে ব্যবহার করছেন।
মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশগ্রহণের পর নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট বিরোধীদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের এক সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি ফিলিস্তিনি ভোট নিয়ে তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ভোট জালিয়াতি, ঘুষ এবং বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগে এসব তদন্ত শুরু হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্বাধীন রা'আম ও জয়েন্ট লিস্ট দল দুটিকে রাজনৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দল দুটি একসঙ্গে নেসেটে ১৯টি আসন পেয়েছে। বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটস পার্টির নেতা ইয়ার গোলান সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের গণতন্ত্র হুমকির মুখে রয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, নেতানিয়াহু নিরাপত্তা সংস্থার ভেতরে সরকারের অনুগত ব্যক্তিদের সহায়তায় গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন।
ইসরায়েলের সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরাও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর আঘাত হানার অভিযোগ তুলেছেন। সাংবাদিক আমোস হারেল লিখেছেন, নেতানিয়াহু ‘শাসনব্যবস্থায় অভ্যুত্থানের’ চেষ্টা করছেন।
প্রতিনিধির নাম 























