ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী:ডিসি জাহিদ সাহিত্য জোট নারায়ণগঞ্জের কবিতা পাঠ ও সাহিত্য আলোচনায় মুখরিত অনুষ্ঠান যশোর কেশবপুর উপজেলায়  খাদ্য সংকটে কালোমুখ হনু নিজ অর্থায়নে ৩০০ মিটার সড়ক সংস্কার করে প্রশংসায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুস সালাম টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে দুই গ্রামের ১০ হাজার মানুষ টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবা, নগদ টাকা ও ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ আটক ২ ব্লু ইকোনমি সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত থেকে এলো টিয়ার গ্যাস সেলের বড় চালান, গন্তব্য যশোর ক্যান্টনমেন্ট বিজিবির অভিযানে বেনাপোল সীমান্তে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ বেনাপোলে ফেনসিডিল মামলায় পারভীনাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০ পরিবারকে ঘর তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী:ডিসি জাহিদ

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।