ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে বিয়ের এক মাসের মাথায় নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু : আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা? টেকনাফে পৃথক ঘটনায় নিখোঁজ শিশু ও অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ সাড়ে ৫ লাখ টাকার মালামাল জব্দ বেনাপোলে পৌর বিএনপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কক্সবাজারে বারে বিরোধের জেরে দুই যুবক নিহত স্বপ্ন সেবা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে সার্টিফিকেট বিতরণ উন্নত দেশ গড়তে কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই—-একাডেমিক সুপারভাইজার মো. সাইফুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর কাছে বর্তমান এসপির বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবী সাদুল্লাপুর ইউপির ৭, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা আসনে মেম্বার পদপ্রার্থী মিনুরী জাহান একিন বেনাপোল এক দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ যানজট নিরসনে যশোর পৌরসভার অভিযানের মাঝেই ফের যানজট, দুর্ভোগে পথচারী

চাঞ্চল্যকর আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা গ্রেফতার।

 

বন্দর থানাধীন সোনাকান্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রী আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) গত ২১/১২/২০২৫ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ১৬.০০ ঘটিকার সময় দড়ি সোনাকান্দা এলাকায় তাদের ভাড়াটিয়া বাসা হতে বাহিরে খেলাধুলা করার জন্য যায়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে বাসায় না ফেরায় ভিকটিমের মা পারভিন (৪৮) ও তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায় না। অতঃপর ২২/১২/২০২৫ খ্রিঃ ভোর অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় তাদের প্রতিবেশী জনৈক ইয়াসমিন ও তার স্বামী আক্তার হোসেন এর মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবার জানতে পারেন যে, দেলোয়ার হোসেন এর বসত বাড়ির সামনে একটি মেয়ের লাশ পড়ে আছে। উক্ত স্থানে গিয়ে ভিকটিমের মা পারভিন আক্তার তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন এবং বন্দর থানা পুলিশকে সংবাদ দেন।বন্দর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ ইদ্রিস আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন এবং মৃতের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয়ের জন্য জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের মা পারভিন (৪৮) বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে বন্দর থানার এফআইআর নং-২৪, তারিখ-২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু করা হয়।নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এর নির্দেশনায় বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন মামলাটির মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য এসআই (নিঃ) মোঃ ইদ্রিস আলীকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। উক্ত মামলার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তি ও একাধিক বিশ্বস্ত সোর্স নিয়োগ করা হয়। অতঃপর তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩/১২/২০২৫ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ১৬.১৫ ঘটিকার সময় বন্দর থানা পুলিশ আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা (২৯), পিতা-মানিক চাঁন ওরফে মানিক মিয়া, মাতা-কামিনা বেগম, সাং-দড়ি সোনাকান্দা (সোনাবিবি রোড), থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামি ফয়সালকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামির দেওয়া তথ্যমতে বন্দর থানাধীন দড়ি সোনাকান্দা সাকিনস্থ সোনাবিবি রোডস্থ আসামির পিতা মানিক চাঁন এর নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর ২য় তলায় রক্ষিত ভাঙ্গা ইটের বস্তার নিচ হতে অত্র মামলার ভিকটিম আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) এর ব্যবহৃত ০১ জোড়া জুতা বাদীর শনাক্তমতে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনদের উপস্থিতিতে জব্দ করা হয়েছে। ধৃত আসামি ফয়সাল মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে বিয়ের এক মাসের মাথায় নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু : আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যা?

চাঞ্চল্যকর আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা গ্রেফতার।

আপডেট সময় : ০৬:০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বন্দর থানাধীন সোনাকান্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রী আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) গত ২১/১২/২০২৫ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ১৬.০০ ঘটিকার সময় দড়ি সোনাকান্দা এলাকায় তাদের ভাড়াটিয়া বাসা হতে বাহিরে খেলাধুলা করার জন্য যায়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে বাসায় না ফেরায় ভিকটিমের মা পারভিন (৪৮) ও তার পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায় না। অতঃপর ২২/১২/২০২৫ খ্রিঃ ভোর অনুমান ০৬.০০ ঘটিকার সময় তাদের প্রতিবেশী জনৈক ইয়াসমিন ও তার স্বামী আক্তার হোসেন এর মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবার জানতে পারেন যে, দেলোয়ার হোসেন এর বসত বাড়ির সামনে একটি মেয়ের লাশ পড়ে আছে। উক্ত স্থানে গিয়ে ভিকটিমের মা পারভিন আক্তার তার মেয়ের লাশ শনাক্ত করেন এবং বন্দর থানা পুলিশকে সংবাদ দেন।বন্দর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ ইদ্রিস আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন এবং মৃতের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ণয়ের জন্য জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের মা পারভিন (৪৮) বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করলে বন্দর থানার এফআইআর নং-২৪, তারিখ-২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু করা হয়।নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী এর নির্দেশনায় বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন মামলাটির মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য এসআই (নিঃ) মোঃ ইদ্রিস আলীকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেন। উক্ত মামলার রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তি ও একাধিক বিশ্বস্ত সোর্স নিয়োগ করা হয়। অতঃপর তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৩/১২/২০২৫ খ্রিঃ বিকাল অনুমান ১৬.১৫ ঘটিকার সময় বন্দর থানা পুলিশ আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা (২৯), পিতা-মানিক চাঁন ওরফে মানিক মিয়া, মাতা-কামিনা বেগম, সাং-দড়ি সোনাকান্দা (সোনাবিবি রোড), থানা-বন্দর, জেলা-নারায়ণগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামি ফয়সালকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামির দেওয়া তথ্যমতে বন্দর থানাধীন দড়ি সোনাকান্দা সাকিনস্থ সোনাবিবি রোডস্থ আসামির পিতা মানিক চাঁন এর নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর ২য় তলায় রক্ষিত ভাঙ্গা ইটের বস্তার নিচ হতে অত্র মামলার ভিকটিম আলিফা আক্তার রোযামনি (১৩) এর ব্যবহৃত ০১ জোড়া জুতা বাদীর শনাক্তমতে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনদের উপস্থিতিতে জব্দ করা হয়েছে। ধৃত আসামি ফয়সাল মামলার ঘটনার সাথে জড়িত মর্মে দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে।