ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন ১৫ পদের বিপরীতে ২৭টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ অবশেষে বেনাপোলে সেই নারী-পুরুষসহ ৯ বাংলাদেশি যশোর নতুনহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে নূর মোহাম্মদ শেখেরকে বিজিবির শ্রদ্ধা বরুড়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, শিশু-কিশোরসহ পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে লুট উখিয়ায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক যশোর সীমান্ত থেকে ১৫ লাখ ২২ হাজার টাকার চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বিজিবি নরসিংদীর শিবপুরের ভরতের কান্দিতে খুনি শাকিলের হাতে পিতা বাসেদ খুন আহত দুই মতলব উত্তরে রাস্তা সংস্কার নিয়ে বিরোধ, যুবককে কুপিয়ে জখম

নরসিংদীর শিবপুরের ভরতের কান্দিতে খুনি শাকিলের হাতে পিতা বাসেদ খুন আহত দুই

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ কামাল হোসেন,নরসিংদীঃ ​নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পুটিয়া ইউনিয়ন ভরতের কান্দি গ্রামে( পূর্ব পাড়া ) ঘরের ভিতরে পুএ শাকিল চৌধুরী নিজ পিতা বাসেদ চৌধুরীকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতের কারণে পেটের নারী বুড়ি বের হয়ে হত্যার মর্মান্তিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মৃত বাসেত চৌধুরীর গেঙ্গানির আওয়াজ শুনে তার দ্বিতীয় ছেলে রাসেদ চৌধুরী ঘরের ভিতরে পাশের রুম থেকে আসিয়া বাতি জ্বালানোর চেষ্টা করলে খুনি শাকিল চৌধুরী বাধা দিলে অপর পাশের রুমে থাকা নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম আসিয়া রুমের বাতি জ্বালিয়ে দেখতে পান বাসেদ চৌধুরী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাড়া শাকিলকে আটকে রাখার চেষ্টা করিলে মা সখিনা বেগমের মাথায় কুড়াল দিয়ে কুপ মারে এবং ছোট ছেলে রাসেদ চৌধুরীর মাথায়ও আঘাত করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় । ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বড় ছেলে শাকিল চৌধুরী পলাতক রয়েছে।

​অদ্য ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং শুক্রবার ভোর রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাছেদ চৌধুরী (৬৫ ) শিবপুর উপজেলা জয় মঙ্গল গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে এবং সে পেশায় একজন বুনাইতি( বিভিন্ন গাছ গাছালির ) ঔষুধ বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রয় করতেন । সে একজন ভালো মানুষ ছিলেন বলে জানা যায়। ভরতের কান্দি নিহত বাসেদ চৌধুরীর শশুর বাড়ি গ্রাম,এখানে তিনি ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ভূমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। অভিযুক্ত শাকিল চৌধুরী (৩৫) তার বড় ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার রাতে পিতা,পুত্র একই ঘরে স্বাভাবিকভাবে ঘুমিয়ে ছিলেন।

তবে রাত সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ ঘর থেকে আর্তচিৎকার গঙ্গানি ও ধস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা পাশের রুমে ছুটে যান। বাতি জ্বালানোর পর তারা দেখতে পান,বাছেদ চৌধুরীকে ধারালো ছুরির এলোপাতাড়ি আঘাত করায় নারী-পুরি বের হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। খুনি শাকিল চৌধুরী পৃর্বেও ভরতের কান্দি গ্রামে একাধিক হত্যার ঘটনায় মামলার সাথে জড়িত ছিল বলে এলাকা বাসীর নিকট থেকে জানা‌যায় ,পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজন এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব বিস্তারের কারণে হত্যা সহ বিভিন্ন অপরাধ থেকে সে একাধিক বার রক্ষা পায় ফেঁসে যায় অন্য মানুষ। পারিবারিক ও এলাকাবাসীর নিকট থেকে আরোও যানা যায়,খুনি শাকিল চৌধুরী গাজীপুর টঙ্গী এলাকায় হত্যা করে একাধিক টুকরা করে বস্তাবন্দি মামলায় দীর্ঘ দশ বছর জেলে থাকার পর পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজনের প্রবাব ও জোর তকবীর সুপারিশে প্রায় দুই মাস পৃর্বে জেল থেকে বের হয়ে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ খুনি শাকিলকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ভরতের কান্দি পূর্বে একাধিক হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে।হত্যার সংবাদ পেয়ে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদীর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।​ নিহত বাবার এই করুণ পরিণতিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতের মেয়ে হাফসা বেগম। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,আমার বাবাকে অকারণে মাইরা ফেললো। আমার বাবা অনেক ভালো মানুষ ছিল। ও শুধু বাবাকে নয়,আমাদের সবাইকে মারতে চেয়েছিল। আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমরা ওর মৃত্যুদণ্ড চাই,ফাঁসি চাই। ​

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন ১৫ পদের বিপরীতে ২৭টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

নরসিংদীর শিবপুরের ভরতের কান্দিতে খুনি শাকিলের হাতে পিতা বাসেদ খুন আহত দুই

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ কামাল হোসেন,নরসিংদীঃ ​নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পুটিয়া ইউনিয়ন ভরতের কান্দি গ্রামে( পূর্ব পাড়া ) ঘরের ভিতরে পুএ শাকিল চৌধুরী নিজ পিতা বাসেদ চৌধুরীকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাতের কারণে পেটের নারী বুড়ি বের হয়ে হত্যার মর্মান্তিক হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মৃত বাসেত চৌধুরীর গেঙ্গানির আওয়াজ শুনে তার দ্বিতীয় ছেলে রাসেদ চৌধুরী ঘরের ভিতরে পাশের রুম থেকে আসিয়া বাতি জ্বালানোর চেষ্টা করলে খুনি শাকিল চৌধুরী বাধা দিলে অপর পাশের রুমে থাকা নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম আসিয়া রুমের বাতি জ্বালিয়ে দেখতে পান বাসেদ চৌধুরী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাড়া শাকিলকে আটকে রাখার চেষ্টা করিলে মা সখিনা বেগমের মাথায় কুড়াল দিয়ে কুপ মারে এবং ছোট ছেলে রাসেদ চৌধুরীর মাথায়ও আঘাত করে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় । ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বড় ছেলে শাকিল চৌধুরী পলাতক রয়েছে।

​অদ্য ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং শুক্রবার ভোর রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাছেদ চৌধুরী (৬৫ ) শিবপুর উপজেলা জয় মঙ্গল গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে এবং সে পেশায় একজন বুনাইতি( বিভিন্ন গাছ গাছালির ) ঔষুধ বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রয় করতেন । সে একজন ভালো মানুষ ছিলেন বলে জানা যায়। ভরতের কান্দি নিহত বাসেদ চৌধুরীর শশুর বাড়ি গ্রাম,এখানে তিনি ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ভূমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করতেন। অভিযুক্ত শাকিল চৌধুরী (৩৫) তার বড় ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার রাতে পিতা,পুত্র একই ঘরে স্বাভাবিকভাবে ঘুমিয়ে ছিলেন।

তবে রাত সাড়ে ৩টার দিকে হঠাৎ ঘর থেকে আর্তচিৎকার গঙ্গানি ও ধস্তাধস্তির শব্দ পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা পাশের রুমে ছুটে যান। বাতি জ্বালানোর পর তারা দেখতে পান,বাছেদ চৌধুরীকে ধারালো ছুরির এলোপাতাড়ি আঘাত করায় নারী-পুরি বের হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। খুনি শাকিল চৌধুরী পৃর্বেও ভরতের কান্দি গ্রামে একাধিক হত্যার ঘটনায় মামলার সাথে জড়িত ছিল বলে এলাকা বাসীর নিকট থেকে জানা‌যায় ,পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজন এবং রাজনৈতিক নেতাদের প্রভাব বিস্তারের কারণে হত্যা সহ বিভিন্ন অপরাধ থেকে সে একাধিক বার রক্ষা পায় ফেঁসে যায় অন্য মানুষ। পারিবারিক ও এলাকাবাসীর নিকট থেকে আরোও যানা যায়,খুনি শাকিল চৌধুরী গাজীপুর টঙ্গী এলাকায় হত্যা করে একাধিক টুকরা করে বস্তাবন্দি মামলায় দীর্ঘ দশ বছর জেলে থাকার পর পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজনের প্রবাব ও জোর তকবীর সুপারিশে প্রায় দুই মাস পৃর্বে জেল থেকে বের হয়ে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ খুনি শাকিলকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে ভরতের কান্দি পূর্বে একাধিক হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে।হত্যার সংবাদ পেয়ে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদীর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।​ নিহত বাবার এই করুণ পরিণতিতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতের মেয়ে হাফসা বেগম। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,আমার বাবাকে অকারণে মাইরা ফেললো। আমার বাবা অনেক ভালো মানুষ ছিল। ও শুধু বাবাকে নয়,আমাদের সবাইকে মারতে চেয়েছিল। আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমরা ওর মৃত্যুদণ্ড চাই,ফাঁসি চাই। ​