পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নে বিএনপি সক্রিয় কর্মী মো: খোরশেদ আলম’কে একটি চক্র মিথ্যা তথ্য দিয়ে কর্মীকে যুবলীগ টেগ দিয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।গত ৮ জুন রাতে খোরশেদ আলম কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পর থেকে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।
খোরশেদ আলম এর ভাই মোহাম্মদ লোকমান জানান, আমার বড় ভাই দীর্ঘদিন ৩০ বছর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত বিষয়টি দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া অবগত আমার ভাই’কে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে একটি চক্র পটিয়া থানার পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত খোরশেদ আলম এর স্ত্রী সালমা আক্তার দাবি করে আমার স্বামী সম্পুর্ন নির্দোষ সে একজন বিএনপি সক্রিয় কর্মী, ৫ আগষ্ট তিনি মিছিল মিটিং সহ এর আগে বিএনপি শতশত মিছিল মিটিং উপস্থিত ছিলেন তার প্রমান রয়েছে ছবি সহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র মিথ্যা মামলা নিয়ে হয়রানি করছে আমার স্বামীকে খোরশেদ অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য পটিয়া থানার ওসি’র সুদৃষ্টি কামনা করছি, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি সিনিয়র নেতা কলিমুল্লাহ চৌধুরী খোরশেদ আলম একজন সক্রিয় নেতা এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত বলে নিশ্চিত করেন। এছাড়াও জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি নাজিম উদ্দীন একই কথা বলেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জানান খোরশেদ আলম বিএনপি সক্রিয় কর্মী বলে জানান,স্থানীয় রিকশা চালক জানান, দীর্ঘদিন যাবত খোরশেদ আলম’কে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত ছোট বেলা থেকে দেখে আসছি, তাকে যুবলীগ সক্রিয় কর্মী টেগ দিয়ে হয়রানি করার কথা লোকমুখে শুনছি, ব্যাবসায়ী আজিজুল হক জানান, খোরশেদ আলম বিএনপি মিছিল মিটিং করে আমার দোকানে চা নাস্তা করত তার বিরুদ্ধে এটা ষড়যন্ত্র মিথ্যা হয়রানি মুলুক বলে জানান।
খোরশেদ আলম এর পরিবার জোর দাবি জানান, খোরশেদ আলম বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্র পারিবারিক বিরোধ ও আমাদের জায়গা জমি দখল নিতে থানা পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, তারা বিষয়টি পটিয়া থানার ওসি সহ উর্ধতন পুলিশ প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষ মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার দাবি জানান।
প্রতিনিধির নাম 


















