ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ইতালি সম্পর্ক আরো জোরদারে সহযোগিতা বাড়াতে চান এলজিআরডি মন্ত্রী সৃজনশীল প্রতিভাবানদেরও ঋণ দিতে বললেন অর্থমন্ত্রী প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি পদে শওকত-টুকুন মুখোমুখি, সম্পাদক পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে প্রশংসায় ভাসছেন এসপি হাবিবুর রহমান টেকনাফে ৪০ লিটার দেশীয় মদসহ মাদক কারবারি আটক জামায়াত ছেড়ে শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৬০ জন যশোরের সিদ্দিক বেকারী ও সাকো বেকারীতে অভিযান, জরিমানা নয়াপাড়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে দুই রোহিঙ্গার কারাদণ্ড কক্সবাজারে গুলিবর্ষণ করে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে প্রশংসায় ভাসছেন এসপি হাবিবুর রহমান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের টানা অভিযানে সাধুবাদ জানাচ্ছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানের ভয়ে জেলা ছাড়তে শুরু করেছেন মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজরা।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জেলার ৭টি থানায় সমন্বিত বিশেষ অভিযান শুরু করেন পুলিশ সুপার মো: হাবিবুর রহমান। তার সঙ্গে মাঠে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোঃ তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল শামীম আহমেদ।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার প্রথম দিনের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১২২ জনকে আটক করা হয়। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের অভিযানে আরও ১০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

থানাভিত্তিক আটকের পরিসংখ্যান এ রবিবার সদর মডেল থানা- ২২ জন, ফতুল্লা মডেল- ৩১ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ- ১৪ জন, বন্দর- ১১ জন, সোনারগাঁ- ৫ জন, আড়াইহাজার- ৪ জন ও রূপগঞ্জ- ১৮ জন।

বন্দর থানার অভিযানে ৪ জন মাদকসেবী, ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ২ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং সুইচ গিয়ার ও নগদ ৪,০০০ টাকাসহ ৩ জন ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

অভিযানে ১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৮৯ পিস ইয়াবা, গাঁজার পুরিয়া, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন,মাদকই সকল অপরাধের মূল। মাদক নির্মূল করতে পারলে নারায়ণগঞ্জে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে নারায়ণগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, শুধু মাঠপর্যায়ের অপরাধী নয়, যারা পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।তাই সকল জনগণের সহযোগিতা চাই।

নবাগত পুলিশ সুপারের কঠোর অবস্থান ও দ্রুত অভিযানে সন্তুষ্ট নারায়ণগঞ্জবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তার ভূয়সী প্রশংসা হচ্ছে। স্থানীয়রা আশাবাদী, তার নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে প্রশংসায় ভাসছেন এসপি হাবিবুর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের টানা অভিযানে সাধুবাদ জানাচ্ছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানের ভয়ে জেলা ছাড়তে শুরু করেছেন মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজরা।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই জেলার ৭টি থানায় সমন্বিত বিশেষ অভিযান শুরু করেন পুলিশ সুপার মো: হাবিবুর রহমান। তার সঙ্গে মাঠে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোঃ তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক-সার্কেল শামীম আহমেদ।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার প্রথম দিনের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১২২ জনকে আটক করা হয়। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের অভিযানে আরও ১০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

থানাভিত্তিক আটকের পরিসংখ্যান এ রবিবার সদর মডেল থানা- ২২ জন, ফতুল্লা মডেল- ৩১ জন, সিদ্ধিরগঞ্জ- ১৪ জন, বন্দর- ১১ জন, সোনারগাঁ- ৫ জন, আড়াইহাজার- ৪ জন ও রূপগঞ্জ- ১৮ জন।

বন্দর থানার অভিযানে ৪ জন মাদকসেবী, ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ২ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং সুইচ গিয়ার ও নগদ ৪,০০০ টাকাসহ ৩ জন ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।

অভিযানে ১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৮৯ পিস ইয়াবা, গাঁজার পুরিয়া, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন,মাদকই সকল অপরাধের মূল। মাদক নির্মূল করতে পারলে নারায়ণগঞ্জে অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে নারায়ণগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, শুধু মাঠপর্যায়ের অপরাধী নয়, যারা পেছন থেকে মদদ দিচ্ছে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয়।তাই সকল জনগণের সহযোগিতা চাই।

নবাগত পুলিশ সুপারের কঠোর অবস্থান ও দ্রুত অভিযানে সন্তুষ্ট নারায়ণগঞ্জবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তার ভূয়সী প্রশংসা হচ্ছে। স্থানীয়রা আশাবাদী, তার নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।