ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা ও সদিচ্ছায় পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী জামায়াত নেতারা হাসিনার পথেই হাঁটতে ভালোবাসেন : রিজভী জুলাইয়ের হত্যাচেষ্টার আরেক মামলায় গ্রেপ্তার আনিসুল-পলক সারিকার অচেনা রূপে চমকে গেল ভক্তরা! সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার মামলার মূল হোতা সলিম উল্লাহ গ্রেপ্তার উখিয়ার হুমায়ুন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মরিচ্যায় গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দিতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার থেকে পাচারের সময় এক লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে পালংখালী সীমান্তের সাইদুল বাশারের ঘেরের দক্ষিণ পাশে বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—উখিয়ার কোনাপাড়া গ্রামের মো. হামিদ হোসেনের ছেলে মো. কলি মোল্লা (২৮) এবং এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬, ব্লক-এ-এর বাসিন্দা মো. নুর হাশেমের ছেলে মো. জুবায়ের (২৬)।

উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি জানায়, শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে সন্দেহ হয়। টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে তাদের আটক করেন।

তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১০ কার্টনে এক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিল বলে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার থেকে পাচারের সময় এক লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে পালংখালী সীমান্তের সাইদুল বাশারের ঘেরের দক্ষিণ পাশে বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—উখিয়ার কোনাপাড়া গ্রামের মো. হামিদ হোসেনের ছেলে মো. কলি মোল্লা (২৮) এবং এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬, ব্লক-এ-এর বাসিন্দা মো. নুর হাশেমের ছেলে মো. জুবায়ের (২৬)।

উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি জানায়, শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে সন্দেহ হয়। টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে তাদের আটক করেন।

তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১০ কার্টনে এক লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিল বলে স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।